ব্যাটারিতে ৮ বছরের ওয়ারেন্টি, সঙ্গে স্টাইলিশ, স্পোর্টি লুক, দেড় লক্ষ টাকা বাজেটে Oben Rorr EVO হতে পারে আপনার সঙ্গী - 24 Ghanta Bangla News
Home

ব্যাটারিতে ৮ বছরের ওয়ারেন্টি, সঙ্গে স্টাইলিশ, স্পোর্টি লুক, দেড় লক্ষ টাকা বাজেটে Oben Rorr EVO হতে পারে আপনার সঙ্গী

Spread the love

ভারতের বাজারে নানা বাজেটে একাধিক ইলেকট্রিক স্কুটারের অপশন থাকলেও, ইলেকট্রিক বাইকের অপশন তুলনামূলক ভাবে কমই। ঠিকঠাক রেঞ্জ, আফটার সেলস সার্ভিস ইত্যাদি মিলবে কি না, সে নিয়ে সংশয়ে থাকেন ক্রেতারা। ভালো রেঞ্জ, স্পোর্টস বাইকের মতো স্টাইলিশ লুক এবং ব্যাটারিতে দীর্ঘদিনের ওয়ারেন্টি চান? তা হলে Oben Rorr EVO বাইকটি হতে পারে আপনার জন্য পারফেক্ট চয়েস। কী কী ফিচার রয়েছে এই বাইকে? জেনে নিন বিস্তারিত।

ডিজ়াইন ও লুক

Oben Rorr EVO বাইকটিতে রয়েছে আধুনিক স্পোর্টি লুক। সামনে রয়েছে প্রজেক্টর LED হেডলাইট এবং LED DRL সেটআপ। শহরের রাস্তায় ট্র্যাফিক জ্যামের মধ্যে ভালো স্টেবিলিটি এবং কন্ট্রোলের জন্য এই বাইকে রয়েছে Rear Monoshock Suspension এবং সংস্থার পেটেন্টেড ARX ফ্রেম। রাইডিং আরামদায়ক করার জন্য চওড়া সিট এবং উঁচু হ্যান্ডলবার ব্যবহার করা হয়েছে। Neutron Blue, Pulse Red, Magnetic Black এবং Photon White — এই চার রঙে বাইকটি বাজারে উপলব্ধ।

ব্যাটারি এবং মোটর

বাইকটিতে ৩.৪ kWh-এর ব্যাটারি প্যাক ব্যবহার করা হয়েছে। এই ব্যাটারি থেকে সর্বাধিক 9kw পাওয়ার এবং ২৫০ Nm হুইল টর্ক পাওয়া যায়। সংস্থার দাবি অনুযায়ী, বাইকটির টপ স্পিড ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার এবং রেঞ্জ ১৮০ কিলোমিটার। ০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগে পৌঁছতে সময় লাগে মাত্র ৩ সেকেন্ড। এ ছাড়াও, ০ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ হতে সময় লাগে ৯০ মিনিট। বেশির ভাগ ইলেকট্রিক বাইকে এখন বেল্ট ড্রাইভ সিস্টেম দেখা গেলেও, এই বাইকটিতে রয়েছে চেন ড্রাইভের সুবিধা। ফলে, বেল্ট ছিঁড়ে গিয়ে যাত্রা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এর পাশাপাশি, পোর্টেবল চার্জারও বাইকের সঙ্গে দেওয়া হবে।

এই ব্যাটারিতে রয়েছে ৮ বছরের স্ট্যান্ডার্ড ওয়ারেন্টি। সঙ্গে জল ও ধুলোর হাত থেকে রক্ষা করতে রয়েছে IP 67-এর সুরক্ষা।

ফিচার

বাইকটিতে রয়েছে একাধিক অত্যাধুনিক ফিচার। যেমন সামনে রয়েছে একটি ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট কনসোল। এই কনসোলের মাধ্যমে গাড়ির গতিবেগ, ব্যাটারি হেলথ-সহ নানা প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে। টার্ন বাই টার্ন ন্যাভিগেশন, কল, মেসেজ এবং মিউজ়িক-এর নোটিফিকেশনও এই কনসোলের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।

এর পাশাপাশি, বাইকটিতে ECO, CITY, HAVOC এবং SMARTIQ নামে চারটি রাইডিং মোডও রয়েছে এই বাইকে। সরু জায়গায় পার্ক করার সুবিধার জন্য রয়েছে Reverse Mode-ও। থ্রটলের সামান্য মোচড়েই অনায়াসে পেছনে নিয়ে আসা যাবে এই বাইক। এর পাশাপাশি, আন্ডার সিট স্টোরেজ, Wireless Mobile Charging এবং USB Charging Port-ও থাকছে।

দাম

ভারতের বাজারে এই বাইকের এক্স শো-রুম দাম শুরু ১.৪০ লক্ষ টাকা থেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *