গুজরাট–অসমের ইউসিসি–তে সায় রাষ্ট্রপতির, প্রশ্নে বিবিধতা
নরেন্দ্র মোদীর প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়েই ২০১৭–১৮’য় বিচারপতি বলবীর সিং চৌহানের নেতৃত্বাধীন ২১তম ল’ কমিশন কিন্তু জানিয়েছিল, ভারতের মতো বৈচিত্র, বিবিধতার দেশে ইউসিসি চালু উচিত হবে না। বহুত্ব নষ্ট করে এমন কিছু বা পার্সোনাল ল’–এর অবলুপ্তির পক্ষে সায় দেয়নি ল’কমিশন। তবে ১৯৮০–তে প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ, কাশ্মীরে ৩৭০ অনুচ্ছেদ লোপ এবং ইউসিসি চালুকে পাখির চোখ করে এগিয়েছে বিজেপি। তার মধ্যে প্রথম দু’টি লক্ষ্য মোদীর প্রধানমন্ত্রিত্বেই পূরণ হয়েছে। ইউসিসি–র ক্ষেত্রে ল’ কমিশনে ধাক্কা খাওয়ার পরে সর্বভারতীয় স্তরে ইউসিসি–র অ্যাজেন্ডায় কিছুটা পিছু হটে যে যে রাজ্যে দল ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানে ইউসিসি চালুর পথ নেয় বিজেপি। সেই মতোই প্রথমে উত্তরাখণ্ড, তার পরে গুজরাট, অসমে বিল পাস হয়েছে। মধ্যপ্রদেশেও বিল পাস হয়ে রয়েছে। বিজেপি পরিচালিত মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, রাজস্থান এবং পশ্চিমবঙ্গ বিলের খসড়া তৈরির জন্যে কমিটি গড়েছে।