চূড়ান্ত ইমারজেন্সি বোঝাতে ‘মে ডে’-ও কল করেছিলেন ‘সুপারহিরো’ স্মিত, ককপিটে হাতিয়ার কোন পথে?
মঙ্গলবার রাতে দুবাই থেকে ইজ়রায়েলের তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাই দুবাইয়ের ফ্লাইট। তারই কম্যান্ডার ছিলেন স্মিত। সঙ্গী ওমানি কো–পাইলট। মাঝ আকাশে ককপিটে আচমকাই সেই কো–পাইলট স্মিতকে আক্রমণ করেন। স্মিত বুঝতে পেরেছিলেন, তাঁকে আহত করে কো–পাইলট বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। তাতে ভয়ঙ্কর কিছু ঘটতে পারে। ধস্তাধস্তিতে ‘অটো–পাইলট’ মোড অফ হয়ে ৩৪ হাজার ফুট থেকে হু হু করে নীচে নেমে আসছিল বিমান।
স্মিত জানতেন, বাইরে থেকে কেউই ককপিটের দরজা খুলতে পারবেন না। তিনি খুলে দিলে অন্তত অন্যরা এসে কাবু করতে পারবেন কো–পাইলটকে। তাই, রক্তাক্ত স্মিতই সমস্ত শক্তি দিয়ে কো–পাইলটকে কাবু করে খুলে দেন ককপিটের দরজা। তার আগেই স্মিত বিমানের ট্রান্সপন্ডার থেকে সাধারণ জরুরি পরিস্থিতির সঙ্কেত ‘৭৭০০’ এবং পরপরই হাইজ্যাক–এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সঙ্কেত ‘৭৫০০’ পাঠান এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)–এ। এমনকী চূড়ান্ত ইমারজেন্সিতে যে ‘মে–ডে’ কল করা হয়, তাও নাকি তিনি করেছিলেন। শেষে ককপিটের দরজা খুলে লুটিয়ে পড়েন রক্তাক্ত স্মিত।