যুবভারতী ঘিরে প্রস্তুতি, ভিনিদের হাত ধরে শহরে ব্রাজ়িল
হঠাৎই সাইরেন বাজিয়ে একাধিক পুলিশের গাড়ি ও এসি বাসের প্রবেশ। তার আগেই চোখে পড়েছিল প্র্যাক্টিস গ্রাউন্ডে ঢোকার মুখে পুলিশের ব্যারিকেড। সেই গ্রাউন্ডে তখন জালের উপরে কালো কাপড়ের আস্তরণ। দূর থেকে চোখে পড়ছে গোলকিপারদের প্র্যাক্টিস। যাঁরা একটু আগেই একটি বাসে এসেছেন। বাসের সামনেও মিডিয়ার যাওয়ার অনুমতি ছিল না। ব্যারিকেড থেকে বেশ কিছুটা ভিতরে একেবারে প্র্যাক্টিস গ্রাউন্ডে ঢোকার মুখে বাস থামছে। তাই জানার উপায় ছিল না, প্রথম বাসে শুধু কিপাররাই এসেছেন। নিরাপত্তা বেষ্টিত হয়ে বিকেল পাঁচটায় যে বাসটা ঢুকে পড়ল যুবভারতীতে, সেই বাসে এসেছেন দু’বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। দিয়েগো ফোরলান এবং তাঁর উরুগুয়ে টিম। বাসের একেবারে শেষ সিটে বসেছিলেন ডারউইন নুনিয়েস। ব্রাজ়িল তখনও নয়।
আগে থেকেই জানা ছিল, লাস্ট সিনে হিরোর মতো ব্রাজ়িল আসছে রাত আটটা নাগাদ। সে রকমই হলো। এয়ারপোর্ট থেকে ব্রাজ়িল টিম হোটেলে পৌঁছল তাদের জার্সির মতো হলুদ, নীল, সবুজ রঙে রাঙানো বাসে। দেখে মনে হলো, তা হলে উরুগুয়ের টিম বাস কেন তাদের ট্রেডমার্ক নীল রঙের করা হলো না?