পুজোর মুখেই কাজ হারালেন ৮০ জন কর্মী! নেপথ্যে রাজনীতির ছায়া দেখছেন অনেকেই
২০২০-র জুলাইয়ে বালিভাষা টোল প্লাজ়া চালু হয়। সেই সময়ে ঠিকাদার সংস্থার অধীনে কাজ পেয়েছিলেন ওই ৮০ জন কর্মী। স্টাফ ইনচার্জ, ট্র্যাফিক মার্শাল, টোল কালেক্টার, লেন অ্যাসিস্ট্যান্ট, ইলেকট্রিশিয়ান, সুইপার, পিওন-এর মতো নানা পদে তাঁরা কাজ করতেন। ওই ঠিকা-কর্মীরা বালিভাষা টোল প্লাজ়ায় ইউনিয়ন তৈরি করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘ কয়েক বছরে প্রায় সাত বার ঠিকাদার সংস্থার পরিবর্তন হলেও তাঁদের উপরে কোনও প্রভাব পড়েনি।
ইউনিয়নের সভাপতি শান্তনু মাহাতো বলেন, ‘৩০ সেপ্টেম্বর ঠিকাদার সংস্থার মেয়াদ শেষ হয়েছে। পয়লা অক্টোবর একটি নতুন সংস্থা টোল প্লাজ়ার দায়িত্ব নিয়েছে। কিন্তু, আমাদের কিছু না জানিয়েই কাজ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ দিকে, নতুন লোকও নিয়োগ করা হচ্ছে। পুজোর মুখে এ ভাবে কাজ কেড়ে নেওয়ায় আমাদের চরম সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।’
জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের থেকে এনএইচআইটি নামে একটি সংস্থা টোলটির সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেয়। টোলটি পরিচালনা ও দেখভালের জন্য ওই সংস্থা আবার বিভিন্ন সময়ে অন্য কোনও ঠিকাদার সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়। এ বার সেই মতো ঠিকাদার সংস্থার পরিবর্তন হতেই পুরোনো কর্মীদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এনএইচআইটি-র প্রজেক্ট হেড মিন্টু নন্দী বলেন, ‘টোল প্লাজ়া পরিচালনার জন্য ঠিকাদার সংস্থাকে আমরা দায়িত্ব দিয়ে থাকি। তারা নিজেদের মতো কর্মী নিয়োগ করে টোল পরিচালনা করে। কর্মীদের নিয়োগ বা বরখাস্ত সংক্রান্ত বিষয়ে আমাদের হাত থাকে না।’