শুরু হচ্ছে নৌ-কমান্ডারদের সম্মেলন; মূল মনোযোগ প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ যুদ্ধের ওপর - 24 Ghanta Bangla News
Home

শুরু হচ্ছে নৌ-কমান্ডারদের সম্মেলন; মূল মনোযোগ প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ যুদ্ধের ওপর

Spread the love

Indian Navy: ২০২৬ সালে ভারতীয় নৌবাহিনীর দ্বিতীয় কমান্ডারস কনফারেন্স ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত নয়াদিল্লির নেভি হাউসে অনুষ্ঠিত হবে। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে নৌবাহিনীর…

Indian Navy: ২০২৬ সালে ভারতীয় নৌবাহিনীর দ্বিতীয় কমান্ডারস কনফারেন্স ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত নয়াদিল্লির নেভি হাউসে অনুষ্ঠিত হবে। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে নৌবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কমান্ডাররা দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং নৌবাহিনীর পরিচালনগত প্রস্তুতির বিষয়টি পর্যালোচনা করবেন।

নৌবাহিনীর এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অপারেশনাল ও আঞ্চলিক কমান্ডাররাও অংশ নেবেন। বৈঠকে সামরিক ও কৌশলগত – উভয় পর্যায়েই নৌবাহিনীর প্রস্তুতির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। এছাড়া, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সামুদ্রিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হবে।

এই বৈঠকে জ্বালানি নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের আবহে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়টিও এই সম্মেলনে আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হবে। ‘অপারেশন এনার্জি সিকিউরিটি’-র আওতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর কার্যক্রম এবং সামুদ্রিক ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকাও পর্যালোচনা করা হবে।

সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নৌবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডারদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন এবং দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের অগ্রাধিকার ও নৌবাহিনীর কাছে সরকারের প্রত্যাশা সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবেন। পাশাপাশি, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ এবং সেনাপ্রধানও নৌবাহিনীর কমান্ডারদের সাথে মতবিনিময় করবেন। এর উদ্দেশ্য হলো তিন সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও যৌথ কার্যক্রমের সক্ষমতা আরও জোরদার করা।

এআই (AI) এবং বিগ ডেটা অ্যানালিটিক্সের মতো নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে
সম্মেলনের পরবর্তী দু’দিনে নৌবাহিনী প্রধান এবং সর্বাধিনায়কগণ (কমান্ডার-ইন-চিফ) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেমন অভিযান পরিচালনা, অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সম্পদ, লজিস্টিকস, মানবসম্পদ এবং প্রশিক্ষণ পর্যালোচনা করবেন।

এর পাশাপাশি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), বিগ ডেটা বিশ্লেষণ, স্বয়ংক্রিয় ও মানববিহীন ব্যবস্থা এবং সাইবার কার্যক্রমের মতো নতুন প্রযুক্তির দ্রুত ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব অব্যাহত থাকবে। যুদ্ধের বিবর্তনশীল চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে নৌবাহিনীতে আধুনিক যুদ্ধকৌশল ও নতুন প্রযুক্তির সমন্বয় সাধনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে।

ভবিষ্যৎ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত একটি বাহিনী হিসেবে সক্ষমতা বৃদ্ধি
এই সম্মেলনে নৌবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ-সক্ষমতা ও প্রস্তুতিরও পর্যালোচনা করা হবে। এতে ‘JAI’ (জেই)-এর তিনটি মূল স্তম্ভ – যৌথতা (Jointness), আত্মনির্ভরতা (Atmanirbharta) এবং উদ্ভাবন (Innovation)-এর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নৌবাহিনী তার কর্মতৎপরতা ও প্রস্তুতির বিষয়টিকে আরও জোরদার করার পাশাপাশি একটি যুদ্ধ-প্রস্তুত, নির্ভরযোগ্য, সুসংহত এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী বাহিনী হিসেবে নিজেদের সক্ষমতা ক্রমাগত বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *