ED Raid in Indranil Sen's House: মঙ্গলের সকালে 'ঝাঁপিয়ে' পড়ল ED, ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়িতে হানা, পৌঁছে গেল আত্মীয়ের বাড়িও | ED Raid in Former Minister Indranil Sen's House kolkata for Unesco Durga puja Scam Case - 24 Ghanta Bangla News
Home

ED Raid in Indranil Sen’s House: মঙ্গলের সকালে ‘ঝাঁপিয়ে’ পড়ল ED, ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়িতে হানা, পৌঁছে গেল আত্মীয়ের বাড়িও | ED Raid in Former Minister Indranil Sen’s House kolkata for Unesco Durga puja Scam Case

Spread the love

ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ি ইডিImage Credit: Tv9 Bangla

কলকাতা: রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen)-এর বাড়িতে তেড়েফুঁড়ে ইডি। তল্লাশি চালানো হচ্ছে তাঁর কসবার বাড়িতে। এখানেই শেষ নয়,কসবা-হাইল্যান্ড পার্ক সহ শহরের ১০ জায়গায় চলছে এই তল্লাশি অভিযান। এর মধ্যে মন্ত্রীর এক ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী রয়েছেন বলেও প্রাথমিক ভাবে খবর পাওয়া যাচ্ছে। পুরো বাড়ি ঘিরে রখেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সূত্রের খবর,ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছিল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে।

ঠিক কী অভিযোগ?

আন্তর্জাতিক সংস্থার পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের (Joydeep Mukherjee) অভিযোগ, ২০২২ সালে হঠাৎ করে একটি সংস্থা গড়ে তোলা হয়। যাঁর প্রেসিডেন্ট ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুছন্দা সেন বলে জানা যায়। ওই সংস্থার তরফে দাবি করা হয়, ইউনেস্কো তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে, পার্টনার হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়, ইউনেস্কো ২৪টা দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলকে বেছে নিয়েছে। কিন্তু, তা একেবারেই মিথ্যে। তাঁর দাবি, একটা দুর্গাপুজোর উপর ইউনেস্কোর (UNESCO) নাম ও লোগো ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুয়ো।

এদিন টিভি ৯ বাংলায় অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, “দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ার পর হঠাৎ করে একটা সংস্থা গজিয়ে ওঠে। প্রেসিডেন্ট হলেন মধুছন্দা সেন। সেই সময় ইন্দ্রনীল সেন মন্ত্রী ছিলেন। আমি FIR করেছি ইন্দ্রনীল সেন, মধুছন্দা সেন, ধ্রুবজ্যোতি বসু, সায়ন্তন মিত্র ও রঞ্জন মিত্রের বিরুদ্ধে। এরা হঠাৎ বলেন, ওদের কোম্পানির পার্টনার ইউনেস্কো। কলকাতার ৮০০ ও ৯০০ দুর্গাপুজোর মধ্যে ২৪টা দুর্গাপুজোকে সিলেক্ট করেছে ইউনেস্কো। তাই এই পুজোগুলি দেখতে হলে প্রথম চারদিন টিকিট কেটে দেখতে হবে। কিন্তু এমন তো হয় না। দুর্গাপুজো যে জায়গায় প্যান্ডেল করে হয় যেমন-মাঠ, কোনও পাড়ার গোলি… সেটা তো জনসাধারণের জন্য তাহলে কীভাবে টিকিট সিস্টেম হয়? আমি পুরো বিষয়টি ইউনেস্কোকে জানাই। ওরা ২০২৫ এর ১৮ সেপ্টেম্বর লিখিত আমায় জানায় কোনও সংস্থার সঙ্গে ওরা চুক্তি করেইনি। কোনও ২৪টা প্যান্ডেলকে সিলেক্টও করেনি। তারপরই আমি বউবাজার থানায় FIR করি।”

প্রাক্তন মন্ত্রী বলেছিলেন, তিনি জানেন না কে অভিযোগ করেছেন। তাঁর নামও কোনওদিন শোনেনি। সেই সময় ইন্দ্রনীল পরিষ্কার জানান, তিনি কোনওদিনই কোনও পুজোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। পুরোটাই ভিত্তিহীন অভিযোগ। এও বলেছিলেন,”আমার স্ত্রী একজন শিল্পী ও ফটোগ্রাফার। বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। ওই সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করলেই সব কাগজ পেয়ে যাবেন। প্রয়োজনে আগামী দিনে আইনি পদক্ষেপ করব।” কিন্তু ইন্দ্রনীল আইনি পদক্ষেপ করার আগেই ইডি পৌঁছে গেল তাঁর বাড়ি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *