প্রাইভেট টিউটরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ।
নাবালিকার পরিবারের বক্তব্য, তাঁদের নাবালিকা মেয়ে ওই কোচিং সেন্টারে পড়ত। অভিযোগ, ধৃত শিক্ষক কোচিং সেন্টারে অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীকে ছেড়ে দিলেও, ওই নাবালিকাকে অতিরিক্ত পড়ানোর অছিলায় তাকে রেখে দিতেন। এর পরে তাকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছেন ওই শিক্ষক। নাবালিকার মা মেয়ের শরীরের কিছু পরিবর্তন দেখে, তাকে জিজ্ঞেস করে আসল ঘটনাটি জানতে পারেন। পরিবারের অভিযোগ, এই কুকর্মের কথা অন্য কাউকে বলতে নিষেধ করে হুমকি দিয়েছিলেন ধৃত প্রাইভেট টিউটর। পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার অভিযুক্তকে উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালতে তোলা হয়। পাশাপাশি, নাবালিকার মেডিক্যাল টেস্ট করা হবে।