অন্ধ্রপ্রদেশে হিন্দু মহিলাকে কেটে টুকরো করে খালে ফেলল কসাই শফিক - 24 Ghanta Bangla News
Home

অন্ধ্রপ্রদেশে হিন্দু মহিলাকে কেটে টুকরো করে খালে ফেলল কসাই শফিক

Spread the love

বিজয়ওয়াড়া: অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ায় (Vijayawada)এক মহিলাকে খুন করে তাঁর দেহ টুকরো করে খালে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনায় ৩৫ বছরের এক মাংস ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার…

বিজয়ওয়াড়া: অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ায় (Vijayawada)এক মহিলাকে খুন করে তাঁর দেহ টুকরো করে খালে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনায় ৩৫ বছরের এক মাংস ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৃতার নাম কল্যাণী। পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলগিরির বাসিন্দা ওই মহিলার দেহাংশ ইব্রাহিমপটনমের একটি কুলিং ক্যানাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্ত মহম্মদ শাফিকে গত ২৭ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ভিটিপিএস কুলিং ক্যানালের কাছে একটি মুণ্ডহীন ধড় পড়ে থাকার খবর আসে। (Vijayawada)খবর পেয়ে ইব্রাহিমপটনম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরের দিন ড্রোন এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফের সহায়তায় খালে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে মহিলার মাথা, পা এবং শরীরের অন্যান্য অংশ উদ্ধার করা হয়। তবে একটি হাত এখনও পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। উদ্ধার হওয়া দেহাংশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

আরও দেখুনঃ ভারত-মায়ানমার সীমান্তে জঙ্গি হামলা! শহিদ অসম রাইফেলসের এক জওয়ান, আহত চার

প্রথমে মৃতার পরিচয় জানা যায়নি। পরে দেহাংশের ছবি ও অন্যান্য তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর মৃতার ভাই তাঁকে শনাক্ত করেন। হাতে থাকা একটি ট্যাটু এবং আরও কয়েকটি শারীরিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলিয়ে মৃতার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। পুলিশ জানায়, মৃতা কল্যাণী মঙ্গলগিরির বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশের অভিযোগ, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরমে শাফির বাড়িতেই কল্যাণীকে খুন করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, শাফি একটি মাংসের দোকান চালান। ঘটনার দিন তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের গুন্টুরে পাঠিয়ে কল্যাণীকে নিজের বাড়িতে ডেকেছিলেন। সেখানে টাকা এবং তাঁর পরিবারের তত্ত্বাবধানে থাকা একটি শিশুকে কেন্দ্র করে দু’জনের মধ্যে বচসা শুরু হয় বলে পুলিশের দাবি। সেই সময় শাফি ছুরি দিয়ে কল্যাণীর উপর হামলা করেন এবং তাঁর গলা কেটে দেন বলে অভিযোগ।

এরপর ঘটনা আরও ভয়াবহ মোড় নেয়। পুলিশ দাবি করেছে, খুনের পর মৃতার পরিচয় গোপন করা এবং দেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত তাঁর দেহের একাধিক অংশ বিচ্ছিন্ন করেন। এরপর দেহাংশগুলি নিয়ে গল্লাপুড়ি এলাকার কুলিং ক্যানালে ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তকারীদের অভিযোগ।

বিজয়ওয়াড়ার ওয়েস্ট জোনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অফ পুলিশ এনএসভিকে দুর্গা রাও জানিয়েছেন, টাকা এবং শিশুকে কেন্দ্র করেই মূল বিবাদ হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।(Vijayawada) পুলিশি বক্তব্য অনুযায়ী, কল্যাণী বিভিন্ন সময়ে ৫ হাজার বা ১০ হাজার টাকা করে চাইছিলেন। অভিযুক্ত তাঁকে ছোটখাটো সোনার সামগ্রীও কিনে দিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। তবে এই দাবিগুলি পুলিশের তদন্তের অংশ এবং মামলাটি এখনও বিচারাধীন।

তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সেই সূত্র ধরেই শাফিকে চিহ্নিত করা হয়। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বলে সন্দেহ করা ছুরিটিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *