এক নীড় থেকে অন্যত্র, কর্কটের এ যাত্রাপথ
তাতেই চমকপ্রদ তথ্য সামনে আসে। ১৬ জনের মধ্যে ১৩ জনের ক্ষেত্রে অন্তত এক বার দেখা গিয়েছে, শরীরের কোনও একটি মেটাস্ট্যাটিক টিউমার থেকেই পরে অন্য জায়গায় নতুন মেটাস্ট্যাসিস তৈরি হয়েছে। প্রথম মেটাস্ট্যাসিসটি তখন নিজেই ‘নতুন উৎস’-এর কাজ করছে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ, ১৬ জনের মধ্যে ৯ জনের ক্ষেত্রে একটি প্রথম দিকের মেটাস্ট্যাটিক টিউমার পরবর্তী সব মেটাস্ট্যাসিসের উৎস ছিল। অন্য দিকে, মাত্র পাঁচ জনের ক্ষেত্রে মূল ব্লাডার টিউমারটিই ছিল পরবর্তী মেটাস্ট্যাসিসের প্রধান উৎস। গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় থাকা টিউমারগুলির জিনগত বৈশিষ্ট্য এক রকম না-ও হতে পারে। কিছু বিরল ধরনের ব্লাডার ক্যান্সারে দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ জিনগত পরিবর্তনও তৈরি হতে পারে, যা রোগের অগ্রগতির সঙ্গে যুক্ত। চিকিৎসার পরেও কিছু ক্যান্সার কোষ টিকে যেতে পারে ও পরে নতুন মেটাস্ট্যাসিস তৈরিতেও ভূমিকা নিতে পারে। ব্লাডার ক্যান্সারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা অবশ্য প্রস্রাবে রক্ত। প্রস্রাবে জ্বালা, বারংবার প্রস্রাবের বেগ বা রাতে ঘন ঘন প্রস্রাবও হতে পারে। এই উপসর্গ ইউরিন ইনফেকশন বা পাথরের কারণেও হয়। তাই প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে কারণ খুঁজে পরীক্ষা করানো জরুরি।