Mid-Day Meal: গড়িয়ার স্কুলে টানা তিনদিন বন্ধ মিড-ডে মিল, আসছে না ফান্ড, মুদির দোকানে ধার ২৫ হাজার! উঠল বড় অভিযোগ | Mid Day Meal Stopped at Garia School for 3 Days Over alleged Fund Crunch - 24 Ghanta Bangla News
Home

Mid-Day Meal: গড়িয়ার স্কুলে টানা তিনদিন বন্ধ মিড-ডে মিল, আসছে না ফান্ড, মুদির দোকানে ধার ২৫ হাজার! উঠল বড় অভিযোগ | Mid Day Meal Stopped at Garia School for 3 Days Over alleged Fund Crunch

Spread the love

কলকাতা: জ্বলছে না উনুন। মিলছে না কোনও মিড-ডে মিল। টিফিনের সময় পেটে খিদে নিয়ে শুকনো মুখেই ফিরতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। গড়িয়ার একটি স্কুলে এমনই ছবি দেখা গেল সম্প্রতি। বোড়াল সমিতি বিদ্যাপীঠে টানা তিনদিন ধরে বন্ধ রয়েছে মিড-ডে মিল। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ, তিন মাস ধরে স্কুলে আসছে না ফান্ড। ধার করেই এতদিন ধরে মিড-ডে মিলের রান্না চলছিল। কিন্তু, ধার এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে শেষপর্যন্ত মিড-ডে মিল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ, পুরসভায় চিঠি দিয়েও কোনও কাজ হয়নি। অন্যদিকে, পুরসভার দাবি, তিন মাস ধরে জেলা থেকে টাকা আসছে না। দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

টিফিন টাইম। মিড-ডে মিলের ঘরের কাছে গিয়েছিলেন পড়ুয়ারা। কিন্তু, গত দুইদিনের মতো আজও খাবার পেল না তারা। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ পড়ুয়া মিড-ডে মিলের উপর নির্ভরশীল। তারা জানাচ্ছে, মিড-ডে মিলে মাংস, ডিম, সোয়াবিন, আলু সিদ্ধ দেওয়া হত। অনেক খাবারই দেওয়া হত। কিন্তু, দুই-তিন ধরে কোনও খাবার পাওয়া যাচ্ছে না। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, মুদির দোকান, ডিমের দোকান প্রচুর টাকা ধার রয়েছে। মুদির দোকানে ধার রয়েছে ২৫ হাজার টাকা। ডিমের দোকানে দেনা প্রায় ৯ হাজার টাকা। আলুর দোকানে ১২ হাজার টাকা ধার নেওয়া হয়েছে। পাওনাদাররা বারবার টাকা চাওয়ায় বিব্রত হয়ে মিড-ডে মিল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এমনটাই অভিযোগ করেছেন প্রধান শিক্ষক।

প্রধান শিক্ষক বলেন, “গত তিন মাস মিড ডে মিলের ফান্ড আপাতত বন্ধ রয়েছে। পুরসভায় বারবার চিঠি দেওয়া সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি। গত বুধবার থেকে বাধ্য হয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ মিড ডে মিল বন্ধ রেখেছে। ডিআই ম্যাডাম সদুত্তর দিতে পারেননি। প্রত্যেকদিন ২০০ থেকে ২৫০ বাচ্চা মিড-ডে মিল খায়। তারা সমস্যায় পড়েছে। শিক্ষকদের সহযোগিতা নিয়ে চলেছিল এতদিন।”

রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার দাবি, তিন মাস ধরে জেলা থেকে টাকা আসছে না। পোর্টাল বন্ধ থাকায় সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত সমস্যা মেটানোর চেষ্টা চলছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা দফতরও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *