ছেলের জন্য বদলে গিয়েছিল শিফট, ৯/১১-তে শেষ মণিপুরের জুপিটারের গল্প, ঠিক কী হয়েছিল?
ছোট্ট সান্তি বুঝতে পারেনি কী হয়েছে। জঙ্গিদের পর্যটক ভেবেছিল খুদে। ন্যান্সি জিজ্ঞেস করেছিল, ‘মা, যারা বেড়াতে এসেছিল, তারা কেন বাবার অফিসে হামলা করল?’ ন্যান্সি কোনও রকমে বলেছিলেন, ‘ওরা পর্যটক নয়, জঙ্গি।’ সেই বয়সে জঙ্গি কী, জানত না সান্তি। এখন জানে। কিন্তু ২৯ বছর বয়সে এসেও বাবার মৃত্যুটা মেনে নিতে পারেননি সান্তি।
নিউ ইয়র্কে জুপিটারের স্মরণসভা হয়েছিল। বন্ধু, সহকর্মীরা এসেছিলেন। জুপিটারের জীবন, তাঁর স্বভাব, তাঁর ভালো লাগা নিয়ে কথা হয়। পরে জুপিটারের অস্থি নিয়ে আসা হয় ভারতে। মণিপুরের লোখটাক হ্রদে হয় অস্থি বিসর্জন। সেখানেই ছেলেকে শেষ বিদায় জানিয়েছিলেন তাঁর বাবা। জুপিটারের দাদা লাবা ইয়ামবেমের কথায়, ‘ওই দিন বাবাকে প্রথম বার কাঁদতে দেখেছিলাম।’