মৎস্যজীবীদের নথি রেকর্ড সংখ্যায় নথিভুক্তি পোর্টালে, ইলিশ নিয়েও পৃথক রূপরেখার সিদ্ধান্ত
বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল, নোনা জলের মাছ চাষ, কালিম্পং ও দার্জিলিংয়ের মতো পাহাড়ি এলাকার ঠান্ডা জলের মাছ চাষ — সব ক্ষেত্রকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ‘প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা’-র আওতায় বিপুল সংখ্যক মৎস্যজীবীকে নথিভুক্ত করা এবং বকেয়া পরিকাঠামোগত প্রকল্পগুলি দ্রুত শেষ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিগত সরকারের উদাসীনতার প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সঙ্কীর্ণ রাজনীতির কারণে কেন্দ্রের পর্যালোচনা বৈঠকে ডেপুটি ডিরেক্টর পদমর্যাদার অফিসারদের পাঠিয়ে দায়িত্ব সারা হতো। নতুন সরকার আসার পরে ইতিমধ্যেই মৎস্য দপ্তরের পোর্টালে ২ লক্ষ ৮০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে এবং ১ লক্ষ ২০ হাজার মৎস্যজীবীর নামও নথিভুক্ত হয়েছে।’