বৈঠকের মঞ্চ ছাড়িয়ে ভারতের ব্রিকস-অধ্যায়ের চিরস্থায়ী ছাপ
ব্রিকস সম্মেলনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সভাপতিত্বের মূল ভাবনাটিকে ‘জনমুখী এবং মানবতাই প্রথম’ হিসেবে বর্ণনা করেন। বৃহত্তর পরিসরে বিচার করলে এই কর্মসূচির ব্যাপ্তি ছিল অভূতপূর্ব। ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’-য় ৩০টি শহরে ৪০০-রও বেশি বৈঠক ও কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে মন্ত্রী, সাংসদ, সরকারি আধিকারিক, বিশেষজ্ঞ এবং বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। ব্রিকসের কার্যক্রম শুধু রাজধানীর বৈঠককক্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বাণিজ্যিক সংস্থাতেও বিস্তৃত হয়েছে। এই মেলবন্ধন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ কূটনীতি এখন কেবল বিদেশ মন্ত্রকের একচেটিয়া অধিকারভুক্ত নয়, বিভিন্ন দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী ও সুদৃঢ় সম্পর্কের ভিত গড়ে তোলেন গবেষক, উদ্যোক্তা এবং তরুণ পেশাদাররাই। ভারতের সভাপতিত্বের মূল প্রয়াসই ছিল বিশ্ব কূটনীতির এই বৃহত্তর আলোচনায় তাঁদের জন্য স্থায়ী জায়গা নিশ্চিত করা।