পদ্মার করাল গ্রাসে দুর্বিষহ দশা তারানগর গ্রামের
তারানগরের মতো একই হাল রঘুনাথগঞ্জ-২ ব্লকের রাধাকৃষ্ণপুরের। সেখানে গত কয়েক দিনে ১৬টি বাড়ি পদ্মাগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। বাড়িঘর ও দোকানপাট ভেঙে সরিয়ে নিয়েছে ৪০টির বেশি পরিবার। গৃহহীন কয়েক শো মানুষ। রাধাকৃষ্ণপুরেও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক, বিধানসভার মুখ্য সচেতক, বিদ্রোহী তৃণমূলের মহম্মদ আখরুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের সরকার যখন ছিল, আমরা প্রশাসনিক পদক্ষেপ করেছিলাম। এ বার প্রশাসনের নজরে এনেছি। কিন্তু প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করেনি। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আনব।’ লালগোলার বিধায়ক, গণতান্ত্রিক তৃণমূলের আবদুল আজিজ বলেন, ‘রাধাকৃষ্ণপুর থেকে তারানগর পর্যন্ত প্রায় এক কিমি এলাকা বরাবর ভাঙন রুখতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তার দ্রুত অনুমোদন দেওয়ার ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছি। ফের অনুরোধ করব। রবিবার সন্ধ্যায় লালগোলায় বিডিও-র সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, তাঁকে শিবিরে আশ্রয় নেওয়া ভাঙনগ্রস্ত মানুষদের খাবারের ব্যবস্থা করতে বলেছি। তিনি দ্রুত পদক্ষেপ করবেন বলে জানিয়েছেন।’ লালবাগের মহকুমাশাসক পূজা মিনা বলেন, ‘ত্রাণ দেওয়ার বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’