এ বার পুজোয় চাই আমার পট আঁকা শাড়ি রে
পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার নয়াগ্রাম। বহুদিন পটশিল্পীদের গ্রাম হিসেবে যার পরিচিতি। একসময় লম্বা পটে পৌরাণিক কাহিনি এঁকে, গান গেয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরতেন শিল্পীরা। সেই পট আজ ঘর ছেড়ে উঠে এসেছে পোশাকে। টি-শার্ট, কুর্তি, পাঞ্জাবি, দোপাট্টা, স্কার্টের পরে এ বার শাড়িও হয়ে উঠেছে তাঁদের ক্যানভাস।
কেরালা কটন, লিনেন-সহ নানা ধরনের শাড়ির উপরে নিপুণ হাতে ছবি আঁকছেন শিল্পীরা। কোথাও সাঁওতাল জীবনের গল্প, কোথাও মাছের বিয়ে, কোথাও আবার বাংলার লোকজ জীবনের নানা দৃশ্য। শাড়ির আঁচল থেকে পাড়—সব জায়গায় ফুটে উঠেছে নানা চিত্র। পুজোর আগে সেই গল্পের শাড়ির টানেই কলকাতা থেকে ছুটে আসছেন ক্রেতারা। রবিবার নয়াগ্রামের এ বাড়ি, ও বাড়ি ঘুরে শাড়ি পছন্দ করতে দেখা গেল একদল মহিলাকে। শিল্পশ্রী রায় বললেন, ‘পুজোয় সবাই নতুন শাড়ি পরে। একটু আলাদা করে সাজতে ইচ্ছে করে। পটচিত্র আঁকা শাড়ির কথা শুনেছিলাম। তাই কলকাতা থেকে এখানে চলে এসেছি। শাড়িগুলো দেখেই মন ভালো হয়ে গেল।’