যোগি রাজ্যে বড় অভিযান! পুলিশের জালে ১২ মোল্লার হানিট্র্যাপ গ্যাং
লখনউ: উত্তরপ্রদেশের বিজনোর পুলিশ এক সংগঠিত হানিট্র্যাপ ও চাঁদাবাজি (honey trap)চক্রের পর্দা ফাঁস করেছে। এই চক্র নারীদের ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তুদের ধর্ষণ, গণধর্ষণসহ গুরুতর অপরাধের মিথ্যা…
লখনউ: উত্তরপ্রদেশের বিজনোর পুলিশ এক সংগঠিত হানিট্র্যাপ ও চাঁদাবাজি (honey trap)চক্রের পর্দা ফাঁস করেছে। এই চক্র নারীদের ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তুদের ধর্ষণ, গণধর্ষণসহ গুরুতর অপরাধের মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় বা আপস করতে বাধ্য করত বলে অভিযোগ। এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।অভিযুক্তদের মধ্যে প্রধান সন্দেহভাজন জুলফেকার উরফে বাব্বু লঙ্গড়া। তার সঙ্গে রয়েছেন আফজাল, গুড্ডি, কুন্তি, প্রীতি, মহম্মদ আসিফ, দিলশাদ, শায়মা, অন্তিমা, শাহানা পারভীন, সানিয়া এবং হিফজান।
পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্র ব্যক্তিগত, সম্পত্তি বা অন্যান্য বিরোধে জড়িত ব্যক্তিদের টার্গেট করত। তথ্য সংগ্রহ করে নারীদের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করা হতো। টাকা না দিলে মিথ্যা মামলা ও আদালতে অভিযোগ দায়েরের হুমকি দেওয়া হতো।তদন্তে উঠে এসেছে, চক্রটি ধর্ষণ, গণধর্ষণ, পকসো আইন এবং এসসি/এসটি আইনের মতো গুরুতর ধারায় মিথ্যা মামলার হুমকি ব্যবহার করত।
আরও দেখুনঃ শত্রুর বুক চিরে দিতে এবার ভারতীয় সেনার হাতে রাশিয়ান ডিজাইনের অস্ত্র ‘শের’
কয়েকটি ক্ষেত্রে আসলেই মামলা দায়েরের চেষ্টাও হয়েছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। (honey trap)সম্প্রতি গ্রেফতার চার মহিলার কাছ থেকে ১৩টি জাল আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। এসব কার্ডে বয়স পরিবর্তন করে নাবালিকা দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ, যাতে পকসো ধারা প্রয়োগ করা যায়।বিজনোর এসপি জানিয়েছেন, চক্রটি স্থানীয় বিরোধ ও পুরনো রেষারেষির খোঁজ নিয়ে কাজ করত।
Advertisements
মহিলা সদস্যরা মূল ভূমিকায় থাকতেন। চাপ সৃষ্টির পর টাকা আদায় করে মামলা তুলে নেওয়ার নামে আপস করানো হতো। একাধিক থানায় এ সংক্রান্ত মামলা দায়ের হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।এই ধরনের চক্র সামাজিক বিশ্বাস নষ্ট করে এবং আইনি ব্যবস্থার অপব্যবহার করে। পুলিশ বলছে, আরও সদস্য ও সংযোগ খুঁজে বের করার কাজ চলছে।
অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদে নতুন তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। (honey trap)স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং সন্দেহজনক চাপের মুখে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বিজনোরে এ ধরনের চাঁদাবাজি চক্র ভেঙে দেওয়ার ঘটনা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তদন্ত শেষ হলে আরও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা এগোবে।