Purulia: বেনজির উদ্যোগ রাজ্যের, এই প্রথম বাংলায় নতুন একটি খাতে চাকরি ও ক্ষতিপূরণ শুভেন্দুর | Purulia fox attack bengal fox terror near jharkhand border 5 lakh aid and government job after death
পুরুলিয়া: রঘুনাথপুর- সাঁওতালডিহি শিল্পাঞ্চল কিংবা বাঘমুণ্ডি-ঝালদার জঙ্গলের ধারেই ওঁদের বাস। নিত্য প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই। দুর্গম এলাকা, পানীয়-জল, খাবার সবেরই অসুবিধা আর দ্বিতীয় বন্য প্রাণীর ভয়। সবথেকে বেশি ভয় শিয়ালের। বলা যেতে পারে, শিয়ালের সঙ্গেই তাঁদের যে সহাবস্থান। সূয্যি পাটে গেলেও, তাঁদের রাস্তায় বেরোতে ভয়। কারণ রাস্তা যে তখন অন্য কারোর দখলে। অন্ধকার হতে না হতেই শিয়ালের হুক্কা-হুয়া ডাক। রাস্তায় বেরোলেই শিয়ালের তাড়া কিংবা প্রতিরোধ করতে গেলে শিয়ালের কামড়, থাবা! এলাকাবাসীরা বলছেন, গত এক বছর ধরে পুরুলিয়ার সীমানাবর্তী ঝাড়খণ্ড থেকে ঢুকছে বেঙ্গল ফক্স! পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম শিয়ালের কামড়ে মৃত্যুর ঘটনায় ৫ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্য ও চাকরি দিচ্ছে রাজ্য সরকার।
২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বরে পুরুলিয়ার ঝালদা বনাঞ্চলে শিয়ালের কামড়ে মৃত্যু হয় ইচাগের বাসিন্দা প্রমীলা রজকের। ঘটনার পর রাজ্য বনবিভাগের তরফে নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার নিহতের স্বামী দিলীপ রজকের হাতে রাজ্য সরকারের ৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেবেন পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। এর পাশাপাশি নিহতের ছেলে জিতেন্দর রজককে ঝালদা বনাঞ্চলেই মাসিক ১২ হাজার টাকা বেতনে ফরেস্ট ভলান্টিয়ার পদে চাকরি দেওয়া হচ্ছে। গত এক বছরে পুরুলিয়া বনবিভাগের ঝালদা, কোটশিলা, বাঘমুন্ডি ও কংসাবতী উত্তর বনবিভাগের রঘুনাথপুর, কাশীপুর বনাঞ্চল মিলিয়ে শিয়ালের আঁচড় ও কামড়ে জখম হয়েছেন একশোর বেশি। মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। বনবিভাগের পক্ষ থেকে এই চাকরির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। রাজ্য বনবিভাগের ইতিহাসে এটি একটি অভাবনীয় ও নজিরবিহীন ঘটনা বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।