প্রেমে আপত্তি, দাদার হাতেই নিহত বোন? - 24 Ghanta Bangla News
Home

প্রেমে আপত্তি, দাদার হাতেই নিহত বোন?

Spread the love

এই সময়, কোচবিহার: বোনের প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন দাদা। বারবার সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার কথা বললেও বোন তা শোনেননি। তাই কি রাগের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করে বোনকে খুন করে বসলেন দাদা? রবিবার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পরে এমনই প্রশ্ন উঠে এসেছে পুলিশি তদন্তে।

শনিবার কোচবিহারের তুফানগঞ্জের দেওচড়াই গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষপুর এলাকায় রাস্তার ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় এক তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়রা দেহটি দেখতে পেয়ে খবর দেন থানায়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে। পরে জানা যায়, মৃতার নাম যমুনা দাস (১৯)। তাঁর বাড়ি দেওচড়াই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেই। সুয়োমোটো মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। তরুণীর দেহ উদ্ধারের পরে পরিবারের তরফে তেমন কোনও অভিযোগ না-থাকায় সন্দেহ হয় তদন্তকারীদের। তার পরেই যমুনার দাদা, ২৬ বছরের বিপ্লব দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই ঘটনায় যমুনার জেঠতুতো দাদা ঝন্টু দাসের নামও চলে এসেছে সন্দেহের বৃত্তে। খুন ও তরুণীর প্রেম সম্পর্কে ঝন্টুর কাছ থেকে তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে তরুণী তাঁর দিদির বাড়ির এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁর ওই দুই দাদা মোটরবাইকে চাপিয়ে যমুনাকে নিয়ে আসেন। এরপরে বাড়ি থেকে প্রায় ছ’কিলোমিটার আগে তরুণীর সঙ্গে তাঁদের ফের বচসা বাধে। সেখানেই মেয়েটির মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে খুনের উদ্দেশ্যেই মাথায় লোহার রড দিয়ে মারা হয়েছিল, নাকি অসাবধানতাবশত আঘাত লেগে যায়- তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।স্থানীয় সূত্রে খবর, এক যুবকের সঙ্গে প্রেম ছিল ওই তরুণীর। তবে

স্থানীয় সূত্রে খবর, এক যুবকের সঙ্গে প্রেম ছিল ওই তরুণীর। তবে মেয়েটির পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। যা নিয়ে অশান্তি হতো। তদন্তে উঠে এসেছে, তরুণীর অন্যত্র বিয়েও ঠিক করা হয়। কিন্তু যমুনা তাতে রাজি ছিলেন না। এ নিয়েও অশান্তি শুরু হয় পরিবারে। অভিযোগ, বাড়ির লোকেদের কুসংস্কার ছিল, মেয়েটিকে তাবিজ-কবচের মাধ্যমে প্রেমিক এমন কিছু করতেন যাতে যমুনা তাঁকে ভুলতে না-পারেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে তরুণীর পরিবারের কেউ মুখ খুলতে চাননি। বিপ্লবকে এ দিন আদালতে হাজির করা হলে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। ধৃতকে প্রশ্ন করে ঘটনার খুঁটিনাটি জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *