থাই নাগরিকদের জন্য ৩০ দিনের ডাবল-এন্ট্রি ই-ট্যুরিস্ট ভিসার ফি মকুব মোদী সরকারের
নয়াদিল্লি: ভারত সরকার থাই নাগরিকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।(Thai citizens) থাইল্যান্ডের নাগরিকরা এখন ভারতে আসার জন্য ৩০ দিনের ডাবল-এন্ট্রি ই-ট্যুরিস্ট ভিসার ফি ছাড়াই আবেদন…
নয়াদিল্লি: ভারত সরকার থাই নাগরিকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।(Thai citizens) থাইল্যান্ডের নাগরিকরা এখন ভারতে আসার জন্য ৩০ দিনের ডাবল-এন্ট্রি ই-ট্যুরিস্ট ভিসার ফি ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন। এই সুবিধা চলবে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, অথবা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত। বাংককের ভারতীয় দূতাবাস সম্প্রতি এই ঘোষণা দিয়েছে, যা দুই দেশের পর্যটন সম্পর্ক আরও মজবুত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
এই ব্যবস্থার অধীনে থাই পাসপোর্টধারীরা অনলাইনে আবেদন করে ৩০ দিনের ই-ট্যুরিস্ট ভিসা পাবেন এবং সেই মেয়াদের মধ্যে দুবার ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন। ভিসার কোনো ফি দিতে হবে না। আবেদন করতে হবে ভারত সরকারের অফিসিয়াল পোর্টাল indianvisaonline.gov.in/evisa/tvoa.html-এ। তবে এটি সম্পূর্ণ ভিসামুক্ত প্রবেশ নয়। ভ্রমণের আগে অবশ্যই ই-ভিসা অনুমোদন নিতে হবে।
আরও দেখুনঃ ঝাড়খণ্ডের SIR এ নোটিশ জারি ৩৮ সদস্যের ইরানি পরিবারকে
সাধারণত আগমনের অন্তত চার দিন আগে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং ১২০ দিন আগে পর্যন্ত আবেদন করা যায়। (Thai citizens)এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সুবিধার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। থাইল্যান্ডও সম্প্রতি ভারতীয় পর্যটকদের জন্য ৩০ দিনের ভিসা অব্যাহতি ঘোষণা করেছে, যা ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে। আগে ভারতীয়রা থাইল্যান্ডে ৬০ দিন পর্যন্ত ভিসা ছাড়া থাকতে পারতেন।
Advertisements
এখন সেই মেয়াদ কমে ৩০ দিন হয়েছে, তবে দীর্ঘদিন থাকতে চাইলে ই-ভিসার ব্যবস্থা আছে। উভয় দেশই এভাবে একে অপরের নাগরিকদের ভ্রমণ সহজ করে তুলছে।পর্যটন খাতে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার থাই পর্যটক ভারতে এসেছিলেন, যদিও আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কম ছিল।
ভিসা ফি মওকুফ হওয়ায় আরও বেশি থাই ভ্রমণার্থী ভারতের ঐতিহাসিক স্থান, সমুদ্র সৈকত, পর্বত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দেখতে আগ্রহী হবেন। তাজমহল, জয়পুরের প্রাসাদ, গোয়ার সৈকত, কেরল ব্যাকওয়াটার বা হিমালয়ের সৌন্দর্য এসব গন্তব্য এখন থাই পর্যটকদের জন্য আরও সাশ্রয়ী হয়ে উঠছে।(Thai citizens)ভারত সরকার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে পর্যটনকে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। থাইল্যান্ডের সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় মিল রয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মের ঐতিহ্য দুই দেশকে যুক্ত করে।
অনেক থাই নাগরিক ভারতের বৌদ্ধ তীর্থস্থান যেমন বোধগয়া, সারনাথ বা কুশীনগর ভ্রমণে আগ্রহী। ফি ছাড়ের এই সুবিধা সেই আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দেবে।আবেদন প্রক্রিয়া সহজ রাখা হয়েছে। থাই নাগরিকদের পাসপোর্ট, ছবি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য অনলাইনে জমা দিয়ে ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন বা ইটিএ পেতে হবে।
অনুমোদন পাওয়ার পর সেটি প্রিন্ট করে সঙ্গে রাখতে হবে। বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ সেটি যাচাই করবেন। ডাবল-এন্ট্রি সুবিধার কারণে কেউ চাইলে একবার ভারতে এসে কিছুদিন কাটিয়ে প্রতিবেশী দেশে গিয়ে আবার ফিরে আসতে পারবেন।