২৬ বছর পর হিমাচল প্রদেশ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১১ র মধ্যে ১০ টিতেই বিজয়ী বিজেপি
শিমলা: বিজেপির জয়যাত্রা অব্যাহত। (Zila Parishad)হিমাচল প্রদেশের জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিরাট সাফল্য পেল বিজেপি। ১১টি জেলা পরিষদের মধ্যে ১০টিতেই বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বিশেষ…
শিমলা: বিজেপির জয়যাত্রা অব্যাহত। (Zila Parishad)হিমাচল প্রদেশের জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিরাট সাফল্য পেল বিজেপি। ১১টি জেলা পরিষদের মধ্যে ১০টিতেই বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বিশেষ করে শিমলা জেলা পরিষদে ২৬ বছর পর বিজেপি প্রার্থীরা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন। শিমলা দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের শক্তিশালী ঘাঁটি বলে পরিচিত।
সেখানে বিজেপি প্রার্থী ভূপালেন্দ্র সিসোদিয়া চেয়ারম্যান পদে এবং ভারত সিং কালান্তা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। স্বাধীন প্রার্থীদের সমর্থনে তাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন। এই জয়কে দলীয় নেতারা গণতন্ত্রের জয় বলে অভিহিত করেছেন।
আরও দেখুনঃ বৃষ্টির দাপটে খুলতে হল ফারাক্কার সবকটি গেট! বন্যার আশংকা রাজশাহীতে
হিমাচলের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ফল বিজেপির জন্য মনোবল বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।এই সাফল্য একক নয়। সম্প্রতি পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় ও মাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনেও বিজেপির ছাত্র সংগঠন ABVP জয়লাভ করেছে।
Advertisements
ক্যাম্পাস রাজনীতিতে এই জয় (Zila Parishad)তরুণদের মধ্যে দলের প্রভাব বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। স্থানীয় সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে একের পর এক সাফল্য বিজেপির গতি আরও বাড়িয়েছে।হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় থাকলেও স্থানীয় স্তরে বিজেপির এই অগ্রগতি লক্ষণীয়। জেলা পরিষদগুলোতে নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার ফলে দলটির সাংগঠনিক শক্তি বাড়বে। নেতারা বলছেন, জনগণের আস্থা তাঁদের প্রতিই রয়েছে।
অন্যদিকে কংগ্রেস এই ফলকে স্থানীয় বিষয় বলে দেখানোর চেষ্টা করছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে এই ধরনের ফল গুরুত্বপূর্ণ সংকেত বহন করে।বিজেপির এই জয়যাত্রা দেশের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে স্থানীয় সংস্থা সব জায়গায় দলটি এগিয়ে যাচ্ছে। হিমাচলের এই ফল সেই ধারাকেই আরও শক্তিশালী করেছে।
শিমলার মতো কংগ্রেস ঘাঁটিতে জয় পাওয়া দলের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।স্থানীয় নেতারা এই সাফল্য উদযাপন করছেন। তাঁরা বলছেন, জনগণ উন্নয়ন ও সুশাসনের পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। কংগ্রেসের অভ্যন্তরেও এই ফল নিয়ে আলোচনা চলছে। আগামী দিনে হিমাচলের রাজনীতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। বিজেপি এই গতি বজায় রাখতে চাইবে। অন্যদিকে বিরোধীরা পাল্টা কৌশল নিয়ে মাঠে নামবেন।