ঘুমের আগে মোবাইল নয়, শান্ত রুটিনেই ফিরুক রাতের স্বস্তি - 24 Ghanta Bangla News
Home

ঘুমের আগে মোবাইল নয়, শান্ত রুটিনেই ফিরুক রাতের স্বস্তি

Spread the love

অরিত্রী চন্দ, কলকাতা: সারাদিনের ব্যস্ততা শেষ করে বিছানায় যাওয়ার পরও হাতে মোবাইল ফোন থাকা এখন অনেকেরই অভ্যাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চোখ রাখা, ভিডিও দেখা, খবর পড়া…

অরিত্রী চন্দ, কলকাতা: সারাদিনের ব্যস্ততা শেষ করে বিছানায় যাওয়ার পরও হাতে মোবাইল ফোন থাকা এখন অনেকেরই অভ্যাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চোখ রাখা, ভিডিও দেখা, খবর পড়া কিংবা বিভিন্ন বার্তার উত্তর দিতে দিতে কখন যে ঘুমের(Better Sleep)  সময় পেরিয়ে যায়, তা অনেক সময় টেরও পাওয়া যায় না। নিয়মিত এই অভ্যাস চলতে থাকলে ঘুমের সময় পিছিয়ে যেতে পারে এবং পরের দিনের স্বাভাবিক রুটিনও ব্যাহত হতে পারে।

ভালো ঘুমের জন্য তাই শুধু কতক্ষণ ঘুমানো হচ্ছে, সেটাই নয়, ঘুমের আগে কীভাবে সময় কাটানো হচ্ছে, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। রাতের শেষ সময়টুকু তুলনামূলক শান্ত ও স্ক্রিনমুক্ত রাখতে পারলে ঘুমের জন্য একটি নিয়মিত রুটিন তৈরি করা সহজ হতে পারে।

ঘুমের আগে মোবাইল থেকে দূরে থাকুন

বিছানায় যাওয়ার পর মোবাইল হাতে নিয়ে দীর্ঘ সময় কাটানোর বদলে ঘুমের আগে একটি নির্দিষ্ট সময় স্ক্রিন থেকে দূরে থাকার অভ্যাস করা যেতে পারে। প্রথমে পুরোপুরি মোবাইল ছেড়ে দেওয়া কঠিন হলে ধীরে ধীরে ব্যবহারের সময় কমানো যেতে পারে। মোবাইলের পরিবর্তে কয়েক পৃষ্ঠা বই পড়া, হালকা গান শোনা কিংবা কিছুক্ষণ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার মতো শান্ত কাজ বেছে নেওয়া যেতে পারে। এতে দিনের ব্যস্ততা থেকে ধীরে ধীরে বিশ্রামের পরিবেশে যাওয়া সহজ হতে পারে।

পরের দিনের প্রস্তুতি রাতে সেরে রাখুন

ঘুমানোর ঠিক আগে কাজের চিন্তা মাথায় ঘুরতে থাকলেও ঘুম আসতে দেরি হতে পারে। তাই পরের দিনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আগেই গুছিয়ে রাখা ভালো। পরের দিনের পোশাক, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা কাজের জিনিস প্রস্তুত করে রাখলে সকালে তাড়াহুড়ো কমে। একইসঙ্গে রাতে বিছানায় যাওয়ার পর কী কী করতে হবে, সেই চিন্তাও কিছুটা কমতে পারে।

Advertisements


   


   

শোবার ঘর হোক শান্ত ও আরামদায়ক

ঘুমের পরিবেশও রাতের বিশ্রামের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত আলো, শব্দ কিংবা ঘরের অস্বস্তিকর তাপমাত্রা ঘুমের পরিবেশকে ব্যাহত করতে পারে। তাই শোবার ঘর যতটা সম্ভব শান্ত, অন্ধকার ও আরামদায়ক রাখা ভালো। বিছানা ও বালিশও আরামদায়ক হওয়া প্রয়োজন। ঘুমানোর সময় ঘরটি খুব গরম বা খুব ঠান্ডা না রাখার চেষ্টা করা যেতে পারে।

প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর চেষ্টা

শুধু ছুটির দিনে বেশি ঘুমিয়ে সপ্তাহের ঘুমের ঘাটতি পূরণ করার চেষ্টা সবসময় কার্যকর নাও হতে পারে। সপ্তাহের বিভিন্ন দিনে ঘুম ও ওঠার সময়ের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য থাকলে দৈনন্দিন রুটিন অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে। তাই সম্ভব হলে প্রতিদিন মোটামুটি একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং সকালে কাছাকাছি সময়ে ওঠার অভ্যাস করা ভালো। নিয়মিত রুটিন শরীরের স্বাভাবিক দৈনিক ছন্দ বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

ঘুমকে অতিরিক্ত কাজ হিসেবে দেখবেন না

অনেকের কাছে দিনের সব কাজ শেষ করার পর ঘুমানোর সময়টুকু যেন দিনের শেষ কাজ। কিন্তু পর্যাপ্ত ঘুম শরীর ও মনের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাতের বিশ্রামকে দিনের অবশিষ্ট সময় হিসেবে না দেখে দৈনন্দিন সুস্থতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ঘুমানোর আগে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মোবাইল হাতে রাখার পরিবর্তে কিছুটা সময় স্ক্রিনমুক্ত থাকা হতে পারে সেই পরিবর্তনের প্রথম ধাপ। ছোট একটি রাতের রুটিন, শান্ত পরিবেশ এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস ধীরে ধীরে রাতের বিশ্রামকে আরও নিয়মিত ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতে পারে।

আরও পড়ুন: ৮,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি নিয়ে ভারতে Realme P4S 5G, দাম ৩৪,৯৯৯

আরও পড়ুন: মেড ইন ইন্ডিয়ায় ফের ইতিহাস! দেশের সফল মহাকাশ অভিযানে ব্যবহার হচ্ছে দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর চিপ

আরও পড়ুন: DRDO র বড় সিদ্ধান্ত! এবার দেশেই তৈরী হতে চলেছে টর্পেডো সাবমেরিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *