দুর্গাপুজোর আগেই ৩৩ টি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে জমি হস্তান্তরের ভাবনা শুভেন্দু সরকারের
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে শিল্প বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটতে চলেছে।(33 Industries) রাজ্য সরকার দুর্গাপূজার আগেই তেত্রিশটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে জমি হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব…
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে শিল্প বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটতে চলেছে।(33 Industries) রাজ্য সরকার দুর্গাপূজার আগেই তেত্রিশটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে জমি হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব ইতিমধ্যেই মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সরকার প্রতিটি কোম্পানির পটভূমি যাচাই করে দেখছে। তাদের আর্থিক সক্ষমতা, ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গে কোনো সংযোগ আছে কিনা, আর্থিক প্রতিশ্রুতি এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে রাজ্যে স্বচ্ছ ও টেকসই শিল্প বিনিয়োগ (33 Industries)নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।এই তেত্রিশটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে জমি দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হলে রাজ্যে নতুন কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এ ধরনের বিনিয়োগ শুধু উৎপাদন বাড়াবে না, বরং আঞ্চলিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করেছেন যে, সরকার কোনো তাড়াহুড়ো করে জমি দিচ্ছে না।
আরও দেখুনঃ গিগ ইকোনোমিতে নয়া অধ্যায়! ৫০,০০০ ডেলিভারি বয় এখন ভারতের অর্থনীতির অংশ
বরং প্রতিটি প্রস্তাবের আর্থিক ও পরিবেশগত দিকগুলো গভীরভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এতে করে ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।এদিকে খুচরা ব্যবসার জগতে স্টাইল বাজার নামের প্রতিষ্ঠানটি পশ্চিমবঙ্গে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। আগামী তিন বছরে তারা প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চায়। বর্তমানে তাদের একশো দশটি স্টোর রয়েছে।
Advertisements
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী এই সংখ্যা দুইশো পঞ্চাশে উন্নীত করা হবে।(33 Industries) অর্থাৎ একশো চল্লিশটি নতুন আউটলেট খোলা হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কোম্পানিকে এই সম্প্রসারণের কাজ আঠারো মাসের মধ্যে শেষ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দ্রুত কাজ সম্পন্ন হলে রাজ্যের মানুষ দ্রুত এর সুফল পাবে।স্টাইল বাজারের এই সম্প্রসারণ শুধু খুচরা ব্যবসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
তারা পুরুলিয়ায় একশো একর জমি অধিগ্রহণ করেছে একটি প্রস্তাবিত সোলার প্রকল্পের জন্য। একই সঙ্গে আরও জমি খোঁজা হচ্ছে, যাতে মোট এক হাজার একর পর্যন্ত এলাকা জুড়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়। নবায়নযোগ্য শক্তির এই উদ্যোগ রাজ্যের পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সোলার প্রকল্প চালু হলে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।