এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম, কেন্দ্র না শুনলে দেশব্যাপী আন্দোলনের হুঙ্কার ওয়াংচুকের
নয়াদিল্লি: লাদাখের ভূমি, সংস্কৃতি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সুরক্ষার দাবিতে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিলেন পরিবেশকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না…
নয়াদিল্লি: লাদাখের ভূমি, সংস্কৃতি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সুরক্ষার দাবিতে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিলেন পরিবেশকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না মিললে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এক্স (পূর্বে টুইটার) হ্যান্ডেলে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এই ঘোষণা করেন ওয়াংচুক।
বর্তমানে দিল্লিতে অবস্থানরত সোনম ওয়াংচুক জানান, যন্তর মন্তরের কাছে সম্প্রতি হওয়া ছাত্র বিক্ষোভস্থলের পাশ থেকেই তিনি এই বার্তা দিচ্ছেন। তবে তিনি নিজে কোনো অনশন বা প্রতিবাদের জন্য রাজধানীতে আসেননি। লাদাখের সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও জমির সংরক্ষণের বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনা করতেই লাদাখের প্রতিনিধি দল দিল্লিতে এসেছে বলে জানান তিনি।
লাদাখবাসীর মূল দাবি সম্পর্কে ওয়াংচুক বলেন, লাদাখে পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো গঠিত না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন যাতে এমন কোনো বড় সিদ্ধান্ত না নেয় যা লাদাখের চরিত্র বা ভৌগোলিক রূপ বদলে দিতে পারে, সরকারের কাছে সেই সংক্রান্ত একটি ক্ষুদ্র অথচ যৌক্তিক আশ্বাসের দাবি জানানো হয়েছিল।
কেন্দ্রকে এক সপ্তাহের সময়সীমা দিয়ে তিনি জানান, এই সময়ের মধ্যে সরকারিক তরফ থেকে সদর্থক আশ্বাস মিললে ১৯ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রস্তাবিত পদযাত্রাটিকে শহিদ স্মরণে ‘স্মারক পদযাত্রা’ হিসেবে পালন করা হবে। তবে দাবি পূরণ না হলে এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে এবং দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ লাদাখের ন্যায়ের দাবিতে রাস্তায় নামবেন। উল্লেখ্য, লাদাখের প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে গঠিত ‘লেহ অ্যাপেক্স বডি’ (LAB) এবং ‘কার্গিল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স’ (KDA)-এর প্রতিনিধিরা গত ৯ সেপ্টেম্বর দিল্লির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের একটি উপকমিটির সঙ্গে বৈঠক করার পরেই ওয়াংচুকের এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
Advertisements
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,