‘অশিক্ষিত বলে অপমান, দূরে রাখা হচ্ছে,’ জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক রেখা পাত্র
বসিরহাট: বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি বিধায়িকা রেখা পাত্রের। জমি সংক্রান্ত বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সরাসরি নিজের দলের জেলা নেতৃত্বের…
বসিরহাট: বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি বিধায়িকা রেখা পাত্রের। জমি সংক্রান্ত বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সরাসরি নিজের দলের জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই মুখ খুললেন তিনি। বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করে তাঁকে দলীয় কর্মসূচি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা এবং ‘অশিক্ষিত’ বলে বারবার অপমান করার মারত্মক অভিযোগ তুলেছেন বিধায়ক। ভোটের মুখে এই অন্তর্কলহ প্রকাশ্যে আসায় অস্বস্তি বেড়েছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে।
রেখার অভিযোগ, বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার নেতারা তাঁকে নিয়ে বরাবরই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেন। এমনকি তাঁকে ‘মিসগাইড’ করা থেকে শুরু করে কোনো কর্মসূচির সঠিক তথ্য না দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। সম্প্রতি জেলার একটি চার সদস্যের যোগদান মেলা বা কর্মসূচি প্রসঙ্গে তাঁকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়েছিল বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বিধায়কের কথায়, ‘‘আমি পড়াশোনা জানি না, এই অজুহাতে বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার কমিটি আমাকে বারবার অপমান করে। তবে আমি জেলা নেতৃত্বের উপর নির্ভর না করে এলাকার মানুষের উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাব।’’
দলীয় সূত্রে খবর, জমি দখলের অভিযোগে কোণঠাসা রেখা পাত্র সম্প্রতি বারাসতে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দাবি করেন, যে জমি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটি তাঁদেরই পৈত্রিক সম্পত্তি। তাঁর পরিবারের সবাই কম শিক্ষিত হওয়ায় ভুল বুঝিয়ে দলিল বা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে, দলের হেভিওয়েট বিধায়কের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের জেরে অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বও। বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্যর সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিরোধীদের মতে, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত রাজ্য বিজেপিতে বিধায়কদের এই অসন্তোষ দলের ভিত আরও দুর্বল করে দিচ্ছে।
Advertisements
২০২৮ সালের মধ্যে টেট পাস বাধ্যতামূলক, কর্মরত শিক্ষকদের জন্য নির্দেশিকা শিক্ষা দফতরের
অক্টোবরেই জোড়া সাইক্লোনের হানা! ৪৪ বছরের রেকর্ড ভেঙে চরম আশঙ্কার কথা শোনাল ইসরো