সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়াই পরপর পঞ্চায়েত দখল বিজেপির
দিব্যেন্দু সরকার ও মহম্মদ মহসিন
তৃণমূলের কোনও নেতা-কর্মীকে আপাতত দলে নেওয়া হচ্ছে না বলেই আগেই ঘোষণা করেছেন বিজেপির বাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সেই সঙ্গে তিনি এও জানিয়েছেন, জোর করে তৃণমূলের হাতে থাকা কোনও গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ কিংবা পুরবোর্ডের দখল নেওয়ার পক্ষপাতি নয় বিজেপি। কিন্তু দলের সেই বার্তা আদৌ কি নিচুতলার নেতাদের কানে ঢুকেছে? কারণ, বাস্তবের ছবিটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাজ্যে পালাবদলের পরে হাওড়া ও হুগলি, দুই জেলাতেই বহু গ্রাম পঞ্চায়েত হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের। খাতায় কলমে তৃণমূলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও বহু গ্রাম পঞ্চায়েতের দখল নিয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত প্রধানকে সরিয়ে পঞ্চায়েতের রাশ নিজেদের হাতে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। তৃণমূল সদস্যদের সমর্থনেই অনেক গ্রাম পঞ্চায়েতেই প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপির কোনও সদস্য।