‘বৈশ্বিক কল্যাণে হবে ইতিবাচক ও অর্থবহ আলোচনা,’ ব্রিকস সামিট শুরুর আগে বার্তা মোদীর
নয়াদিল্লি: বিশ্ব রাজনীতির নজর এখন রাজধানী দিল্লিতে। শনিবার থেকে ভারতমণ্ডপমে শুরু হতে চলা দুদিনের ঐতিহাসিক ১৮তম ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সাজসাজ রব পুরো…
নয়াদিল্লি: বিশ্ব রাজনীতির নজর এখন রাজধানী দিল্লিতে। শনিবার থেকে ভারতমণ্ডপমে শুরু হতে চলা দুদিনের ঐতিহাসিক ১৮তম ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সাজসাজ রব পুরো রাজধানীতে। বিশ্বকল্যাণ ও বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলার লক্ষ্য নিয়ে এই সম্মেলনে এক টেবিলে বসছেন বিশ্বের প্রথম সারির রাষ্ট্রনেতারা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্স (পূর্বতন টুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করে আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই সম্মেলনে বৈশ্বিক কল্যাণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত ইতিবাচক এবং অর্থবহ আলোচনা হবে।
আগামী শনিবার ও রবিবার দুদিন ধরে চলা এই সম্মেলনে খাদ্য, শক্তি, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ক্রিটিক্যাল সাপ্লাই চেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে যৌথ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ওপর প্রধান জোর দেওয়া হবে। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিম এশিয়ার সংকট এবং মার্কিন বাণিজ্য নীতির জেরে বিপর্যস্ত বিশ্ব অর্থনীতিকে সামাল দিতে ব্রিকস জোটকে একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে নয়াদিল্লি।
সম্মেলনে যোগ দিতে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিতে শুক্রবারই তিনদিনের ভারত সফরে এসে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম রাশিয়ার বাইরে সশরীরে কোনো ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন তিনি। শুক্রবার বিকেলেই দুই নেতার বৈঠকে প্রতিরক্ষা, শক্তি, প্রযুক্তি এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রসারের বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিদেশি ভিভিআইপি অতিথিদের আগমন উপলক্ষে দিল্লি জুড়ে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। ভারতমণ্ডপম ও তার আশপাশের এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তায়। শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার দিল্লি পুলিশ কর্মী, ২০০ কোম্পানি আধাসেনা এবং ৫০০-র বেশি সিসি ক্যামেরা। ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, শহর সম্পূর্ণ বন্ধ না রাখলেও ভিভিআইপি কনভয়ের চলাচলের সময় সাময়িকভাবে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
Advertisements
চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তো সহ ১১টি সদস্য দেশের শীর্ষ নেতারা এই সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন। কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী সলমন খুরশিদও এই সম্মেলনকে ভারতের বৈশ্বিক নেতৃত্ব প্রদর্শনের একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মঞ্চ বলে অভিহিত করেছেন।
১৯০টি পরমাণু যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলল ভারত, শীঘ্রই টপকাবে ব্রিটেনকেও
গালওয়ান সংঘর্ষের পর প্রথম! ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে হতে পারে মোদী- জিনপিং দ্বিপাক্ষিক বৈঠক