CM On JUTA: 'কড়া মাপের ওষুধ দিতে হবে', জুটার অধ্যাপকদের কড়া আক্রমণ শুভেন্দুর | West Bengal Assembly Passes University Transfer Bill, CM Targets JUTA Professors - 24 Ghanta Bangla News
Home

CM On JUTA: ‘কড়া মাপের ওষুধ দিতে হবে’, জুটার অধ্যাপকদের কড়া আক্রমণ শুভেন্দুর | West Bengal Assembly Passes University Transfer Bill, CM Targets JUTA Professors

Spread the love

বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারীImage Credit: TV9 Bangla

কলকাতা:বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে 'দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬' পেশের মাধ্যমে রাজ্যের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বা অশিক্ষক কর্মীদের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করার আইনি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বিধানসভায় পাশ হল 'অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মী বদলি বিল'। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (JUTA) শুরু থেকেই এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।এই বিল কেন আনা হল, সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উঠে এল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গ। আর তাতেই মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় জুটার অধ্যাপকরা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জুটার লোকেরা কী করেছেন, সব ইতিহাস রয়েছে, বার করব।”

বিধানসভায় দাঁড়িয়ে ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? 

যাদবপুরের জুটার অধ্য়াপকদের উদ্দেশে কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ” আমি বুঝতে পারছিলাম সিপিএমের সদস্য ও তার সহযোগী আইএসএফ, তারা বুঝতে পারছে, এই বিলটা কোথায় আঘাত করবে। তথাকথিত ছাত্র নামধারী নয়। যাঁরা ব্রেন ওয়াশ করছেন, তাঁদেরকেও কড়া মাপের ওষুধ দিতে হবে।” জুটার সদস্যদের অতীত ও বর্তমান ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন, তাদের সমস্ত ইতিহাস বের করা হবে। প্রয়োজনে প্রাক্তন উপাচার্য গোপাল সেন হত্যার ইতিহাস খতিয়ে দেখতে কমিশন বসানোর ইঙ্গিতও দেন তিনি।

জুটার অধ্যাপকদের উদ্দেশে কিছুটা কটাক্ষের সুরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই জন্য বিল প্রয়োগ করব না, আমরা এই কারণে প্রয়োগ করব, কারণ আমাদের নতুন তৈরি হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তথাকথিত পণ্ডিতগুলোকে পাঠাব। তাঁরা গিয়ে দুর্বল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শক্তিশালী করে দিয়ে আসবেন। তথাকথিত সমাজবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চান, তাঁদের নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে আনছি। তাঁদের বিরাট মেধাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে চাই। আপত্তির কারণ কী! ”

সরাসরি আক্রমণ করে তিনি বলেন, “অধ্যাপক বামপন্থীদের জামা পরে গেরুয়াকে টার্গেট করছেন। পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদে মিছিল করেন না ওঁরা। সনাতন ধর্মকে ওনারা কালচারাল মনে করেন। নকশালদের বীজ উপড়ে ফেলার সঠিক সময়।”

প্রসঙ্গত, দেওয়াল লিখন, তা মুছে দেওয়া, ফের দেওয়াল লিখনে যাদবপুরের পরিবেশ যখন তপ্ত, তখনই দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাফ বলে দিয়েছিলেন, যাদবপুরের দেওয়ালে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কড়া বার্তাও দিয়েছিলেন তিনি। তারপরও পরিস্থিতির পরিবর্তন সেভাবে হয়নি। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী এদিন আবারও বলেন, “ঋষি অরবিন্দের তৈরি করা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, যেখান হস্টেল থেকে ছাত্রছাত্রীদের বের করে নিয়ে যাবেন, বলবেন কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি, তা চলবে না। আমরাই টুকরো করে দেব আপনাদের। সীমা রয়েছে বেয়াদপের। আর্টস বিভাগের দেওয়ালে লিখছেন ফ্রি প্যালেস্টাইন। রেড স্যালুট কমরেড কিষাণজি, গোদাবরী থেকে গোমতী যারা আলাদা ভারত তৈরির পরিকল্পনা করেন, তাদের বরদাস্ত করা হবে না। যাঁরা বলছেন চিহ্নিত।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *