টাইগার সাফারিতে লক্ষ্মীলাভ বাড়বে, মন্তব্য বনমন্ত্রীর
এই সময়, ঝাড়গ্রাম: রাজ্যে পালাবদলের পরে বুধবার প্রথম ঝাড়গ্রাম পরিদর্শনে এসেছিলেন বনমন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ। প্রথমে তিনি জঙ্গলমহল জুলজিক্যাল পার্কে যান। পার্কের উল্টো দিকে ২৬২ একর শালবনের মধ্যে টাইগার সাফারি গড়ে তুলতে বাজেটে রাজ্য সরকার ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। শালবন পরিদর্শনের পরে মন্ত্রী বলেন, ‘টাইগার সাফারি চালু হলে পর্যটনের হাত ধরে আর্থিক ভাবে আরও সমৃদ্ধ হবে ঝাড়গ্রাম।’
বনমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন, কৃষি প্রতিমন্ত্রী অমিয় কিস্কু, ঝাড়গ্রামের বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউ, বিনপুরের বিধায়ক প্রণত টুডু ও বন দপ্তরের আধিকারিকরা। পড়া এ দিন বনমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের প্রথম বাজেটে পিছিয়ে জায়গাগুলিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। যেমন ডুয়ার্সকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই ভাবে ঝাড়গ্রামকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই জন্য প্রথমেই আমাদের মুখ্যমন্ত্রী এখানে টাইগার সাফারির কথা ঘোষণা করেছেন। কিছুদিনের মধ্যেই কাজও শুরু হয়ে যাবে।’
মন্ত্রীর সংযোজন, ‘টাইগার সাফারি মানে দু’-চারটি বাঘ এনে ছেড়ে দেওয়া নয়। তাকে কেন্দ্র করে আমূল একটা পরিবর্তন আসতে চলেছে। এখানে যে সংখ্যক পর্যটক | বেড়াতে আসছে তা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। আশা করি কয়েক মাসের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়ে কাজ শুরু হবে এবং দেড় থেকে দু’বছরের মধ্যেই টাইগার সাফারি চালু হয়ে যাবে।’
বন দপ্তরের জমি দখল করে রিসর্ট, হোম-স্টে গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। বনদপ্তরের জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি রিসর্টকে নোটিসও দেওয়া হয়। সেই জমি পুনরুদ্ধার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘যাঁরা বনদপ্তরের জমি দখল করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ হাতি-মানুষ সংঘাত প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা কেবল ঝাড়গ্রাম নয়, ডুয়ার্স থেকে শুরু করে বাঁকুড়া, পুরুলিয়াতেও এই সমস্যা রয়েছে। আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করছি। সমস্যার সমাধানে আধুনিক যন্ত্র ব্যবহারের কথাও ভাবা হচ্ছে।’