জং ধরা পুরোনো চাবিরগোছাও হবে নতুনের মতো, ঘরোয়া এই কৌশল জানলেই হবে কেল্লাফতে
দরজার হাতল, সুইচবোর্ড বা টিভির রিমোট পরিষ্কার করার কথা মনে থাকলেও, ঘরের দেওয়ালে আটকানো কি-হ্যাঙ্গার থেকে ঝুলতে থাকা চাবির গোছা বা ব্যাগে কিন্তু সকলের অলক্ষ্যেই থেকে যায়। অথচ দেখতে গেলে, সারাদিনে একাধিক মানুষের হাতফেরতা এই চাবিগুলোতে ঘাম, তেল, ধুলোবালি জমা খুব স্বাভাবিক। আবার বর্ষার আবহাওয়ায় নতুন চাবির গায়ে মরচের স্তর পড়তেও দেখা যায়। তখন তালা খোলার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েন অনেকেই। তবে এই কঠিন সমস্যা সহজ সমাধান কিন্তু হেঁশেলেই রয়েছে। চাবির গায়ে যদি একটু ভিনিগার স্প্রে করে নিতে পারেন, তা হলেই হবে মুশকিল আসান।
কেন ভিনিগার দিয়ে চাবি পরিষ্কার করবেন?
ভিনিগারের মূল কার্যকারী উপাদান হলো অ্যাসিটিক অ্যাসিড, যা ধাতব বস্তুর ময়লা তুলতে অত্যন্ত কার্যকর। হাতের স্পর্শ থেকে যে অদৃশ্য ও চটচটে তেলের আস্তরণ তৈরি হয়, ভিনিগার তা মুহূর্তেই গলিয়ে দেয়। আর্দ্রতার কারণে চাবির গায়ে যে লালচে জং পড়ে, তা-ও তুলে ফেলতে পারে। চাবির খাঁজে খাঁজে জমা ময়লা কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষেও উঠতে চায় না। কিন্তু স্প্রে করলে ভিনিগারের সব খাঁজে পৌঁছে ময়লা নরম করে দেয়।
চাবি পরিষ্কার করার সঠিক পদ্ধতি
ধাপ ১: চাবির দুই পাশে এবং খাঁজে ভালো করে সাদা ভিনিগার স্প্রে করুন।
ধাপ ২: ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন যাতে অ্যাসিড ময়লা ও জং খানিকটা নরম হয়।
ধাপ ৩: নরম কাপড় বা টুথব্রাশ দিয়ে খাঁজগুলো হালকা ঘষে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ধাপ ৪: তোয়ালে বা শুকনো কাপড় দিয়ে সম্পূর্ণ শুকিয়ে নিন। ভিজে থাকলে আবার জং ধরতে পারে।
কত দিন অন্তর পরিষ্কার করবেন?
মাসে একবার চাবি পরিষ্কার করাই যথেষ্ট। তবে গাড়ির চাবি বেশি ব্যবহৃত হলে মাসে দু’বার পরিষ্কার করা যেতে পারে।