যোগী নেতৃত্বে বড় সাফল্য! ১ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দিকে উত্তরপ্রদেশ
লখনউ: উত্তর প্রদেশ আজ এক নতুন অর্থনৈতিক স্বপ্নের দিকে এগোচ্ছে (Uttar Pradesh)। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে রাজ্যটি এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে…
লখনউ: উত্তর প্রদেশ আজ এক নতুন অর্থনৈতিক স্বপ্নের দিকে এগোচ্ছে (Uttar Pradesh)। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে রাজ্যটি এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে। মাত্র কয়েক বছর আগেও যে রাজ্যকে অনেকটা পিছিয়ে থাকা বলে মনে করা হত, সেখানে এখন বড় বড় পরিবর্তন ঘটছে। অর্থনীতির আকার ১৩.৩০ লাখ কোটি টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০.৮০ লাখ কোটি টাকায়।
এই বৃদ্ধি শুধু সংখ্যার খেলা নয়, এটি হাজার হাজার পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের গল্পও বটে(Uttar Pradesh)।রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ৫০ লাখ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সমঝোতা স্মারক বা এমওইউ স্বাক্ষর করেছে। এর অনেকটাই মাটিতে নেমে এসেছে এবং নতুন শিল্প, নতুন কারখানা গড়ে উঠছে। বিশেষ করে মোবাইল ফোন উৎপাদনে উত্তর প্রদেশ এখন দেশের অন্যতম বড় কেন্দ্র। দেশে তৈরি মোবাইল ফোনের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই এখানে তৈরি হচ্ছে।
আরও দেখুনঃ বিশাল অর্থনৈতিক সাফল্য! ১ বিলিয়ন ডলারের তহবিল সংগ্রহে সই আদানি এয়ারপোর্টের
নয়ডা-গ্রেটার নয়ডা অঞ্চলে বিশ্বের নামকরা কোম্পানিগুলো তাদের কারখানা স্থাপন করেছে (Uttar Pradesh)। এতে হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হয়েছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার হয়েছে।যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নও এই পরিবর্তনের বড় চালিকাশক্তি। রাজ্যে এখন ১৬টি অভ্যন্তরীণ ও ৫টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। রেলপথের দৈর্ঘ্য ১৬ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি।
Advertisements
এক্সপ্রেসওয়েগুলো রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তকে যুক্ত করেছে। ব্যবসা করার সহজতার সূচকে উত্তর প্রদেশ ১৪তম স্থান থেকে উঠে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে। এই পরিবর্তন বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে। আগে যারা এ রাজ্যে আসতে দ্বিধা করতেন, এখন তারা এগিয়ে আসছেন।বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলে তৈরি হতে চলেছে ৬০ হাজার একরের বিশাল শিল্প হাব বিআইডিএ।
এটি শুধু কারখানার জায়গা নয়, এটি এক নতুন শিল্প নগরীর স্বপ্ন।(Uttar Pradesh) প্রতিরক্ষা, ইলেকট্রনিক্স, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণসহ নানা খাতে বিনিয়োগ আসছে। মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেছেন, প্রতিটি জেলাকেই এই অর্থনৈতিক যাত্রায় অংশ নিতে হবে। শুধু বড় শহর নয়, ছোট শহর ও গ্রামীণ এলাকাকেও উন্নয়নের মূল স্রোতে আনতে হবে।
এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি, নীতির স্বচ্ছতা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সংস্কৃতি। কৃষি খাতকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে, পর্যটনকে নতুন মাত্রা দেওয়া হচ্ছে, আর ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলোকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। নারীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণও বেড়েছে। মাথাপিছু আয় দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। এসব মিলিয়ে উত্তর প্রদেশ এখন শুধু জনসংখ্যার দিক থেকেই নয়, অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দিক থেকেও দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য হয়ে উঠছে।