Nandigram Election: মমতা নন্দীগ্রামে দাঁড়ালে আমরা প্রার্থী দেব না: মদন মিত্র | Tmc leader madan mitra said that if mamata banerjee contest in nandigram ritabrata team will never contest
কলকাতা: উপ-নির্বাচন হবে নন্দীগ্রামে (Nandigram)। সেই নিয়ে ক্রমেই চড়ছে পারদ। এখন কথা, নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবে? ইতিমধ্যেই দুই শিবির বিভক্ত। এবার দুই তৃণমূলই বলছে নন্দীগ্রামে লড়াই করবে। তাই প্রতীক নিয়ে যে সময় দড়ি টানাটানি চলছে, সেই সময় ঋতপন্থী তৃণমূল নেতা মদন মিত্র (Madan Mitra) জানালেন, যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করেন তাহলে তারা প্রার্থী দেবেন না। অপরদিকে, নন্দীগ্রামের আর এক দাপুটে নেতা আবু-তাহেরও জানিয়েছেন, দলের সুদিনে যখন তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি দুর্দিনে প্রার্থী হবেন না।
মদন মিত্র বলেন, “নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিততে পারেননি। গণতন্ত্রে শাসকের বিরুদ্ধে বিরোধীরা যদি একজোট হয়ে লড়াই করেন তাহলে গণতন্ত্রে মানুষ ভবিষ্যতের সন্ধান পায়। ঐক্যবদ্ধ হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তা কতখানি আছে তাতে না গিয়ে উনি যদি নন্দীগ্রামে দাঁড়ান তাহলে আমরা প্রার্থী দেব না। এতে প্রমাণ হবে, বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও ভাগ করার সুযোগ আমরা তুলে দিইনি। মমতাকে ময়দান ছেড়ে দিয়েছি। আর একটা প্রমাণ হবে। বিজেপির বি টিম কারা? আমরা হলে দুয়ের জায়গায় তিন-চার করতে পারতাম।”
অপরদিকে, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রার্থী হন বলেছেন তৃণমূল নেতা আবু তাহের। তাঁর দাবি, সুদিনে দল প্রার্থী করেনি দল তাই দুর্দিনেও কেন প্রার্থী হবেন? এখানে উল্লেখ্য, শুরুটা হয়েছিল নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলন থেকেই। সেই আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে প্রথম থেকেই ছিল অধিকারীরা। সঙ্গে অবশ্যই শেখ সুফিয়ান,আবু তাহের, স্বদেশ দাস একাধিক নেতৃতরা। আন্দোলন সুফল পেয়েই সরকার ক্ষমতায় আসে ২০১১ সালে। ক্ষমতায় আসার পর সুফল পান সুফিয়ান। তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ সহ সভাধিপতি হন। ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদও।
সেই তুলনায় আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য মুখ হলেও বঞ্চিত আবু তাহের। তাঁর ভাগ্যে জুটেছে একাধিক মামলা। তার জেরে নন্দীগ্রাম ছেড়ে থাকতে হয়েছে বাইরেও। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে দিনের পর দিন লড়াই করলেও কোনও ভাবেই দল তার প্রতি সুবিচার করেনি বলেই আক্ষেপ প্রকাশ করলেন তিনি।