‘রাতে চেঁচামেচি করবেন না’, হইচই থামাতে গিয়ে আক্রান্ত, দিল্লিতে মণিপুরের সঙ্গীতশিল্পীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ
মৃত সঙ্গীতশিল্পীর পরিবারের দাবি, এলাকায় বেশ কয়েক দিন ধরেই গোলমাল চলছিল। পরিবারের এক সদস্যের অভিযোগ, কয়েক জন যুবক মদ্যপ অবস্থায় নিয়মিত চিৎকার-চেঁচামেচি করত। চংথাং আগেও তাঁদের বারণ করেছিলেন। রবিবার মাঝরাতে সেই গোলমাল থামাতেই বেরিয়েছিলেন তিনি। তখনই চংথাংয়ের উপরে হামলা হয় বলে দাবি তাঁদের।
ঘটনার খবর সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন দিল্লির মণিপুরি সম্প্রদায়ের লোকজন। সানলাইট কলোনি থানার সামনে বিক্ষোভও দেখান বিভিন্ন মণিপুরি সংগঠন এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা। তাঁদের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে। সঙ্গীতশিল্পীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নর্থ ইস্ট স্টুডেন্টস সোসাইটিও (NESSDU)। দিল্লির মণিপুরি সমাজকর্মী লিলি বলেন, ‘আমরা বিক্রমের ন্যায় বিচার চাই। দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।’