আনসারুল্লাহর হামলায় দক্ষিণ সৌদিতে ৭৩ জন আহত! জানাল সৌদি জোট
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, আনসারুল্লাহর (Ansarullah attack)হামলায় দক্ষিণ সৌদি আরবে ৭৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। সৌদি আরবের দাবি, আনসারুল্লাহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে…
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, আনসারুল্লাহর (Ansarullah attack)হামলায় দক্ষিণ সৌদি আরবে ৭৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। সৌদি আরবের দাবি, আনসারুল্লাহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে দক্ষিণ সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে। রাতভর চলা এই হামলা গত কয়েক বছরের মধ্যে সৌদি আরবের ওপর আনসারুল্লাহর সবচেয়ে ব্যাপক আক্রমণগুলোর একটি বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
সৌদি সামরিক বাহিনী এই হামলাকে বিপজ্জনক উসকানি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। (Ansarullah attack)তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, রাজ্য এ ধরনের আক্রমণের জবাব কঠোরভাবে দেবে। হামলার পরপরই সৌদি কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপর হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেসামরিক এলাকা ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলার ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
আরও দেখুনঃ যতদিন বেঁচে থাকব জিহাদের পথে থাকব! ভারতকে হুমকি জঙ্গি হাফিজ সাঈদ পুত্র তালহার
এই হামলার পটভূমি আরও জটিল। আনসারুল্লাহর এই আক্রমণের আগে সৌদি যুদ্ধবিমান ইয়েমেনে আনসারুল্লাহর অবস্থানগুলোতে হামলা চালিয়েছিল। সৌদি পক্ষের দাবি, আনসারুল্লাহ লোহিত সাগরে সৌদি আরবের অবরোধ এবং ইয়েমেনে সৌদি সামরিক সরবরাহের ওপর হামলার জবাবেই সেই বিমান হামলা চালানো হয়েছিল। এভাবে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি আক্রমণের এক নতুন পর্ব শুরু হয়েছে।
Advertisements
ইয়েমেনে এখনও বড় ধরনের সংঘাত চলছে। আনসারুল্লাহ (Ansarullah attack)এবং সৌদি সমর্থিত পিএলসি যোদ্ধাদের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। এই সংঘাতের প্রভাব শুধু ইয়েমেনের অভ্যন্তরে সীমাবদ্ধ নেই, প্রতিবেশী সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলেও তা ছড়িয়ে পড়ছে। রাতের হামলায় বেসামরিক মানুষের আহত হওয়ার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই হামলা দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতের এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
লোহিত সাগরের অবরোধ এবং সামরিক সরবরাহের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে। সৌদি আরব তার ভূখণ্ডে হামলাকে গুরুতর নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখছে এবং জবাবি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে। অন্যদিকে ইয়েমেনের অভ্যন্তরে চলতি লড়াই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।হামলার পর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছে।
তারা বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরেছে এবং এ ধরনের আক্রমণকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। (Ansarullah attack)একই সঙ্গে সৌদি সামরিক বাহিনী তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দিয়েছে। দক্ষিণ সৌদি আরবের বাসিন্দারা এখন নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। অনেকেই রাতের হামলার কথা স্মরণ করে আতঙ্ক প্রকাশ করছেন।
ইয়েমেন সংকট দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করছে। আনসারুল্লাহ এবং সৌদি সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘাত থামছে না। এর ফলে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা সেই বাস্তবতাকেই আবার মনে করিয়ে দিয়েছে। অর্থনৈতিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলে স্থানীয় অর্থনীতির ওপরও প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।