পশ্চিমবঙ্গে লুকিয়ে আছে আল কায়েদা জঙ্গি আবু তালহা! তদন্তে নামল NIA - 24 Ghanta Bangla News
Home

পশ্চিমবঙ্গে লুকিয়ে আছে আল কায়েদা জঙ্গি আবু তালহা! তদন্তে নামল NIA

Spread the love

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে আল-কায়েদার নেটওয়ার্কের নতুন সূত্র উদঘাটন করেছে (Al-Qaeda)জাতীয় তদন্ত সংস্থা NIA। বিষয়টি শুনলেই চমকে ওঠার মত। ২০২২ সালের একটি এসটিএফ মামলার ভিত্তিতে এনআইএ সম্প্রতি…

nia-al-qaeda-probe-west-bengal

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে আল-কায়েদার নেটওয়ার্কের নতুন সূত্র উদঘাটন করেছে (Al-Qaeda)জাতীয় তদন্ত সংস্থা NIA। বিষয়টি শুনলেই চমকে ওঠার মত। ২০২২ সালের একটি এসটিএফ মামলার ভিত্তিতে এনআইএ সম্প্রতি দুটি নতুন এফআইআর দায়ের করেছে। উদ্দেশ্য একটাই নেটওয়ার্কের বাকি যোগসূত্রগুলো খুঁজে বের করা। তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন আবু তালহা ওরফে ইসমাইল হক।

তিনি আল-কায়েদা (Al-Qaeda)ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট বা একিউআইএস-এর একজন সিনিয়র নেতা বলে অভিযোগ। বাংলায় সংগঠনটিকে আবার গড়ে তোলা এবং ভারতে এর নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে।এই তদন্ত শুধু আল-কায়েদার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এটি ধীরে ধীরে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর চক্রান্তের দিকেও গড়াচ্ছে। বাংলায় গ্রেফতার হওয়া দুই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা শত শত সিম কার্ড কিনে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আইএসআই হ্যান্ডলারদের কাছে ওটিপি পাঠাতেন।

আরও দেখুনঃ পণ্য পরিবহনে আরও এক ধাপ এগিয়ে তৈরী হচ্ছে ডানকুনি-সুরাট ২,০৫২ কিলোমিটার রেল করিডোর

এই ঘটনা প্রমাণ করে যে সন্ত্রাস ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের জাল কতটা জটিলভাবে ছড়িয়ে আছে।আবু তালহার নাম উঠে আসায় তদন্তকারীরা আরও সতর্ক হয়েছেন। একিউআইএস ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়েদার (Al-Qaeda)শাখা হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক বছরে সংগঠনটির তৎপরতা কিছুটা কমলেও সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি বলেই ধারণা করা হয়। বাংলায় ঘুমন্ত কোষ বা স্লিপার সেল গড়ে তোলার চেষ্টা চলছিল বলে এনআইএর তদন্তে উঠে এসেছে। ২০২২ সালের এসটিএফ মামলা থেকেই সূত্র পাওয়া গিয়েছিল।

Advertisements


   


   

সেই সূত্র ধরে এখন নতুন করে এফআইআর করা হয়েছে যাতে নেটওয়ার্কের অন্যান্য সদস্যদেরও চিহ্নিত করা যায়।তদন্তের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পাকিস্তানি গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগসূত্র। দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে যাঁরা বহু সংখ্যক সিম কার্ড কিনেছিলেন।(Al-Qaeda) এই সিমগুলো ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি পাঠানো হতো আইএসআই হ্যান্ডলারদের কাছে। এ ধরনের কার্যক্রম সাধারণত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ বা জঙ্গি যোগাযোগ গোপন রাখার কাজে লাগে।

সিম কার্ডের মাধ্যমে পরিচয় গোপন করে যোগাযোগ রক্ষা করা জঙ্গিদের পুরনো কৌশল। বাংলায় এমন ঘটনা উদঘাটন হওয়ায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আরও নজরদারি বাড়িয়েছে।পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক অবস্থান এই নেটওয়ার্কের জন্য সুবিধাজনক বলেই মনে করা হয়। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো দিয়ে অনুপ্রবেশ ও যোগাযোগের সুযোগ থাকে। আল-কায়েদা ও অন্যান্য জঙ্গি সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলকে ব্যবহারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

আবু তালহার (Al-Qaeda)মতো নেতারা স্থানীয়ভাবে সমর্থন গড়ে তুলে সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ। এনআইএ এখন সেই চেষ্টার বাকি অংশগুলো খুঁজে বের করার কাজ করছে।দুটি নতুন এফআইআর দায়েরের অর্থ হল তদন্ত আরও গভীরে যাচ্ছে। শুধু একজন নেতাকে চিহ্নিত করেই থেমে থাকা নয়, পুরো নেটওয়ার্কের মানচিত্র তৈরি করাই লক্ষ্য। এর সঙ্গে আইএসআই-এর যোগসূত্র উঠে আসায় বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *