যে কোনও মুহূর্তে গুঁড়িয়ে যেতে পারে ‘পিকঅ্যাক্স’! ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের - 24 Ghanta Bangla News
Home

যে কোনও মুহূর্তে গুঁড়িয়ে যেতে পারে ‘পিকঅ্যাক্স’! ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

Spread the love

ওয়াশিংটন: ইরানের মাটির গভীরে থাকা কড়া নিরাপত্তায় মোড়া গোপন পরমাণু কেন্দ্র ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ (Pickaxe Mountain)-এ খুব শিগগিরই হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। শুক্রবার এমনই চরম হুঁশিয়ারি…

ওয়াশিংটন: ইরানের মাটির গভীরে থাকা কড়া নিরাপত্তায় মোড়া গোপন পরমাণু কেন্দ্র ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ (Pickaxe Mountain)-এ খুব শিগগিরই হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। শুক্রবার এমনই চরম হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ওই পরমাণু কেন্দ্রের প্রতিটি গতিবিধির উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে ওয়াশিংটন।

শুক্রবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গত পাঁচ মাস ধরে ইরানের বিরুদ্ধে চলা মার্কিন সামরিক অভিযানের পক্ষে জোর সওয়াল করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, তেহরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে আটকানোই আমেরিকার এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। ট্রাম্পের কথায়, “পাঁচ মাস হয়ে গেল। জানেন এই পাঁচ মাসে আমরা কী করেছি? ওরা (ইরান) যাতে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, আমরা সেটাই নিশ্চিত করেছি।”
এর পরেই পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে হামলার প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে প্রেসিডেন্ট বলেন, “পিকঅ্যাক্স-সহ গোটা ইরানের সমস্ত গতিবিধি সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহাল। যদি পরিস্থিতি একটুও খারাপ হয়, তবে আমরা আঘাত হানব, এবং অত্যন্ত জোরালো আঘাত হানব।” সোশ্যাল মিডিয়াতেও (এক্স বা টুইটার) তাঁর এই হুঁশিয়ারির ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে।

কী এই পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন?

ইরানের ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নাতাঞ্জ (Natanz) ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের কাছেই অবস্থিত এই পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন। মনে করা হচ্ছে, এর মাটির অনেক গভীরে দু’টি সুড়ঙ্গ ব্যবস্থা রয়েছে। মাটির এতটা গভীরে হওয়ায় সাধারণ বিমান হানা থেকে এটি অনেকটাই সুরক্ষিত। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর আগের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইজরায়েলি গুপ্তচর সংস্থাগুলির ধারণা, তেহরান ইতিমধ্যেই তাদের কয়েক হাজার সেন্ট্রিফিউজ ওই গোপন ঘাঁটিতে সরিয়ে ফেলেছে। ফলে আমেরিকা যদি সত্যিই ওই কেন্দ্রে হামলা চালায়, তবে তা মার্কিন-ইরান সংঘাতে এক চরম মাত্রা যোগ করবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আমেরিকা না থাকলে ইজরায়েল থাকত না’

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, আমেরিকার এই সামরিক হস্তক্ষেপ বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধ আটকে দিয়েছে। ওয়াশিংটন পদক্ষেপ না করলে ইজরায়েল, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ— এমনকী আমেরিকার কাছেও ইরান বড় বিপদ হয়ে দাঁড়াত বলে তাঁর দাবি। ট্রাম্প বলেন, “আমরা যদি ওখানে না যেতাম, তা হলে আজ ইজরায়েল বলে কিছু থাকত না, মধ্যপ্রাচ্য থাকত না। হয়তো এর পরে ওরা ইউরোপ এবং আমাদের শহরগুলিতেও হামলা চালাত।”

Advertisements


   


   

রেডার ধ্বংস ও সেন্টকমের হামলা

কয়েক দিন আগেই ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছিল, মার্কিন সেনা ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর (IRGC)-এর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে সফল হামলা চালিয়েছে। যার মধ্যে বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রেডার, নৌ-সম্পদ এবং যোগাযোগ কেন্দ্রগুলি অন্তর্ভুক্ত ছিল। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং মার্কিন সেনার উপর আইআরজিসি-র হামলার জবাবেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি আমেরিকার।

এ দিন ইরানের রেডার ব্যবস্থা ধ্বংস করার বিষয়টি নিয়েও মুখ খোলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, মার্কিন বাহিনী দু’বার ইরানের অত্যাধুনিক রেডার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। ট্রাম্পের কথায়, “ওদের অত্যাধুনিক রেডার ছিল। আমরা সেটা ধ্বংস করেছি। দ্বিতীয় বার বসানোর পর সেটাও ধ্বংস করা হয়েছে।”

মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?

জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *