দর্শকদের জন্য আজও বেঁচে আছি: সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়
স্মৃতিটা আজও তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য। সেই ঘটনার পর এক সপ্তাহ স্কুলে যেতে মন চায়নি। বারবার মনে হতো, কানন দেবীর মতো চোখ যদি তাঁর হয়, তা হলে একদিন তিনিও নিশ্চয়ই বড় অভিনেত্রী হতে পারবেন। তাঁর কথায়, ‘সবাই আমার চোখের প্রশংসা করতেন। কিন্তু আমি নিজে আয়নায় দেখে ভাবতাম, এত বড়-বড় চোখ কেন?’ দেশভাগের অভিঘাতে রাতারাতি বদলে যায় জীবন। ফেলে আসতে হয় ঢাকার বাড়ি, শৈশব, পুকুর, উঠোন— সবকিছু। ‘আমাদের বাড়িটা খুব বড় ছিল। দুটো পুকুর ছিল। একটায় মাছ ধরা হতো, আর একটায় সাঁতার কাটতাম। হঠাৎ একদিন সব ছেড়ে চলে আসতে হলো। বুঝিনি দেশভাগ কী, বুঝেছিলাম পৃথিবীটা আগের মতো নেই,’ বললেন সাবিত্রী।