ডিভিসির ছাড়া জলে ভাসল গ্রাম, উদয়নারায়ণপুর, আমতা ও খানাকুলে জনজীবন বিপর্যস্ত, অমিল ত্রাণ
হাওড়ার জেলাশাসক দীপাপপ্রিয়া পি এ দিন উদয়নারায়ণপুর ব্লকের বেশ কয়েকটি বন্যা কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের আইজি (দক্ষিণবঙ্গ) কঙ্করপ্রসাদ বারুই, হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের এসপি অমিত ভার্মা, উলুবেড়িয়ার এসডিও মানস কুমার মণ্ডল এবং আমতার বিধায়ক অমিত সামন্ত। এ দিন সকালে উদয়নারায়ণপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেল, দামোদরের বাঁধ উপচে হরিহরপুর, হোদল, শিবাণীপুর, কুড়চি, টোকাপুর-সহ বিভিন্ন গ্রামে জল ঢুকছে। তার ফলে বাড়ির ভিতরেও জল ঢুকে গিয়েছে। ধান জমি ও আনাজের খেত জলের তলায় চলে গিয়েছে। উদয়নারায়ণপুর থেকে ডিহিভূরসুট যাওয়ার রাস্তায় হাঁটুসমান জল। কোল্ড স্টোরেজেও জল ঢুকেছে। প্রশাসনের তরফে এখানে মোট ছ’টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। ত্রাণ শিবিরে মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুদের জন্যও খাবার জোগানো হচ্ছে। টোকাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন ষাটোর্ধ্ব আশা ঘোড়ুই। তিনি বলেন, ‘দামোদরের পাশে আমার ঝুপড়ি বাড়ি। পাশে একটি গোয়াল ঘরও আছে। সেখানে এখন কোমরসমান জল। আমি ও আমার স্বামী দু’টি গোরুকে নিয়ে ত্রাণ শিবিরে এসেছি। গোরু দু’টিকে রাস্তার পাশে বেঁধে রেখেছি।’