কাশ্মীরের বদগাঁও-এ এনকাউন্টার, খতম লস্কর কমান্ডার ইয়াসির
শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসদমনে ফের বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। শনিবার মধ্য কাশ্মীরের বদগাম জেলার ইউসমার্গের পাহাড়ি বনাঞ্চলে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম…
শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসদমনে ফের বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। শনিবার মধ্য কাশ্মীরের বদগাম জেলার ইউসমার্গের পাহাড়ি বনাঞ্চলে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম হলো এক পাকিস্তানি লস্কর-ই-তইবা (LeT) কমান্ডার। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত ওই কুখ্যাত জঙ্গির নাম ইয়াসির।
গোপন সূত্রে ওই পাহাড়ি এলাকায় জঙ্গিদের উপস্থিতির নির্দিষ্ট খবর পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই শনিবার ইউসমার্গের উপরের দিকের এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী। সেনার ‘স্পেশাল ফোর্সেস’ (Special Forces) এবং ‘৫৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস’ (53 RR)-এর যৌথ বাহিনী এই অভিযান চালায়। জওয়ানদের উপস্থিতি টের পেয়েই এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় সেনাও। দু’পক্ষের এই তীব্র এনকাউন্টারেই মৃত্যু হয় ইয়াসিরের।
কে এই ইয়াসির?
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, নিহত ইয়াসির লস্কর-ই-তইবার কুখ্যাত ‘সুলেমান মুসা গোষ্ঠী’-র সদস্য ছিল। তবে প্রায় বছরখানেক আগে সে ওই গোষ্ঠী থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং স্বাধীন ভাবে নিজের কার্যকলাপ চালাতে শুরু করে। গোষ্ঠী থেকে আলাদা হওয়ার পর থেকেই ওই এলাকায় লস্করের এক অন্যতম প্রধান মাথা হিসেবে উঠে এসেছিল সে। গত বেশ কিছু দিন ধরেই ইউসমার্গ এলাকায় তার গতিবিধির উপর নজর রাখছিলেন গোয়েন্দারা। সেই সুনির্দিষ্ট ট্র্যাক করার ফলেই এ দিন তাকে খতম করা সম্ভব হয়েছে।
তদন্তে গোয়েন্দারা
উপত্যকায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান জোরদার করার মাঝেই ইয়াসিরের মৃত্যু সেনার কাছে একটি বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তার স্থানীয় নেটওয়ার্ক, লস্করের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তার যোগাযোগ এবং উপত্যকায় তার কার্যকলাপের পরিধি খতিয়ে দেখছে। সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরে ঘটে যাওয়া জঙ্গি কার্যকলাপের পিছনে তার কোনও সরাসরি ইন্ধন, পরিকল্পনা বা সমর্থন ছিল কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
Advertisements
সুলেমান মুসা কে ছিল?
প্রসঙ্গক্রমে উঠে আসছে সুলেমান মুসার নাম। ইয়াসির একসময় এই মুসা গোষ্ঠীরই সদস্য ছিল। সুলেমান মুসা (ওরফে হাসিম মুসা) ছিল ২০২৫ সালের ভয়াবহ পহেলগাম জঙ্গি হামলার অন্যতম মূল চক্রী বা মাস্টারমাইন্ড। ওই হামলার কয়েক মাস পরেই শ্রীনগরের দাচিগাম বনাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এক এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় এই কুখ্যাত লস্কর নেতার। এ বার তার একসময়ের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ইয়াসিরও সেনার গুলিতে খতম হলো।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,