Attack on ED: ইডির উপর হামলায় কারা কারা যুক্ত? NIA-কে ট্যাগ করে বিস্ফোরক শুভেন্দু – Bengali News | Suvendu Adhikari tweets names and photos of people who, he claim are connected with attack on ED Officials
কড়া প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুরImage Credit source: TV9 Bangla
কলকাতা: শুক্রবার সকালে এক অনভিপ্রেত, নজিরবিহীন, ন্যক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী থাকল বাংলা। দুর্নীতির তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হলেন ইডির অফিসাররাই। তীব্র রোষানলের মধ্যে পড়েছেন তাঁরা। রক্ত ঝরেছে। মাথা ফেটেছে অফিসারদের। আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বাদ যায়নি সংবাদমাধ্যমও। উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির ঘটনায় হইচই পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যে। এদিন ইডি, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার ঘটনায় কারা কারা জড়িত ছিল, নাম উল্লেখ করে এনআইএ-র দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
The Extremists who orchestrated & executed the cowardly attack on the ED Officials, CRPF Jawans and Journalists today at Sandeshkhali; North 24 Parganas district are:-
এই খবরটিও পড়ুন
# Sheikh Alamgir; youngest brother of Sheikh Shahjahan.
# Jiauddin; renowned arm’s smuggler, murderer and… pic.twitter.com/3GTGjXmbKF
— Suvendu Adhikari • শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) January 5, 2024
শুক্রবারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই এনআইএ তদন্তের দাবি তুলেছেন শুভেন্দু। এবার এক্স হ্যান্ডেলে ‘কাপুরুষোচিত হামলার’ ঘটনায় জড়িতদের নাম ও ছবি-সহ পোস্ট করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর দাবি, সন্দেশখালির ঘটনায় জড়িত রয়েছেন শেখ শাহজাহানের ছোটভাই শেখ আলমগির। শেখ শাহজাহানের অপর এক ভাই শেখ সিজারউদ্দিনও এদিনের হামলার জড়িত বলে দাবি বিজেপি নেতার। এর পাশপাশি সরবেড়িয়া-অগরহতি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জিয়াউদ্দিনও এই ঘটনায় জড়িত বলে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার দাবি, এই জিয়াউদ্দিন একজন কুখ্যাত অস্ত্র পাচারকারী।
এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু লিখেছেন, “শেখ শাহজাহানের মতো সমাজবিরোধীরা রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে সন্ত্রাসরাজ কায়েম করার চেষ্টা করছে।” নিজের এই গোটা পোস্টটি তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে ট্যাগ করে তিনি লিখেছেন, যাতে তারা দ্রুত পদক্ষেপ করে।
এদিকে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এদিনের ঘটনার প্রসঙ্গে পাল্টা বিজেপির দিকেই দায় ঠেলেছেন। কুণালের বক্তব্য, “মানুষ তো এখন ইডি-সিবিআইকে আর ইডি-সিবিআই হিসেবে দেখছে না। বিজেপি হিসেবে দেখছে। তাছাড়া এখন ইডি বা সিবিআই কোথাও গেলে রাজ্য সরকার বা রাজ্য পুলিশকে জানাচ্ছে না। অন্তত মুখ্যসচিবকেও যদি বলে রাখে, তাহলেও তো হয়। কোন এলাকা সংবেদনশীল, কোন এলাকায় কী হয়ে আছে… তা না জেনে নিজেদের মতো করে চলে যাচ্ছে। সেই কারণে এই বিষয়টি তৈরি হচ্ছে। একটি শান্তিপূর্ণ রাজ্যকে বদনাম করতে এসব করা হচ্ছে।”