নতুন বিধ্বংসী অস্ত্র পেল ভারত! সু-৩০ এমকেআই থেকে ‘খাগান্তক-২৪৩’-এর পরীক্ষা সফল
Khagantak-243: আত্মনির্ভরশীলতার পথে ভারতের প্রতিরক্ষা খাত আরও একটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দূরপাল্লার গ্লাইড বোমা ‘খাগান্তক-২৪৩’-এর (Khagantak-243) প্রথম সফল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার…
Khagantak-243: আত্মনির্ভরশীলতার পথে ভারতের প্রতিরক্ষা খাত আরও একটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দূরপাল্লার গ্লাইড বোমা ‘খাগান্তক-২৪৩’-এর (Khagantak-243) প্রথম সফল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার সময় গ্লাইড বোমাটি মরুভূমি অঞ্চলের একটি লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানে, যার ফলে সেখানে এক বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে।
‘খগান্তক-২৪৩’ (Khagantak-243)-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
- ওজন ও সক্ষমতা: এটি প্রায় ৩০০ কেজি ওজনের একটি ‘স্ট্যান্ড-অফ প্রিসিশন’ (দূরপাল্লার নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম) অস্ত্র, যা ১২৫ কেজি ওজনের শক্তিশালী ‘এমকে-৮১’ (Mk-81) ওয়ারহেড বা বিস্ফোরক বহন করে।
- দীর্ঘ পাল্লা: অধিক উচ্চতা থেকে নিক্ষেপ করা হলে এটি ১৪০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।
- নিখুঁত লক্ষ্যভেদ: আইএনএস (INS) এবং জিএনএসএস (GNSS/স্যাটেলাইট) নেভিগেশন ব্যবস্থাসম্পন্ন হওয়ায়, এই বোমাটি ১০ মিটারেরও কম ব্যাসার্ধের মধ্যে থাকা লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে সক্ষম।
সু-৩০এমকেআই (Su-30MKI) যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে পরীক্ষাটি চালানো হয়েছে
ভারতীয় বিমান বাহিনীর শক্তিশালী সুখোই সু-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে এই গ্লাইড বোম্বটির পরীক্ষা করা হয়। এই প্রযুক্তির সংযোজন ভারতীয় বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলোকে কৌশলগতভাবে উল্লেখযোগ্য সুবিধা প্রদান করবে। এর ফলে শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা বলয়ের অত্যন্ত কাছাকাছি যাওয়ার প্রয়োজন আর হবে না; বরং যুদ্ধবিমানগুলো নিরাপদ দূরত্ব থেকেই শত্রুর লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম হবে।
Advertisements
দেশের সামরিক শক্তিতে যুক্ত হলো এক নতুন ও বিধ্বংসী অস্ত্র
নাগপুর-ভিত্তিক সংস্থা ‘জেএসআর ডায়নামিক্স’ (JSR Dynamics) এবং ‘ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড’ (BEL)-এর যৌথ উদ্যোগে এটি তৈরি করা হয়েছে। এই সফল পরীক্ষাটি প্রধানমন্ত্রী মোদীর ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশের সামরিক ভাণ্ডারে এক নতুন ও বিধ্বংসী অস্ত্র যুক্ত করল।