ভোটার লিস্টে থাকা অন্তত ১১ লক্ষ নাম খারিজ চায় নির্বাচন কমিশন
ভোটের রেজ়াল্ট বেরিয়ে যাওয়ার পরেও কেন ‘সার’–লিস্টের বিষয়টি এত তাৎপর্যপূর্ণ?
কারণ, রাজ্যে বিজেপি সরকার তৈরি হওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছেন, যাঁদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে পাকাপাকি ভাবে বাদ গিয়েছে, তাঁরা কেউ আগামী দিনে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। যাঁদের নাম ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন আছে, তাঁরা আপাতত এই সব সুযোগসুবিধা পেলেও ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের উপরে তাঁদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে। কমিশন সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালগুলিতে সব মিলিয়ে মাত্র ৮০ হাজার আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কত জনের নামে ট্রাইব্যুনাল সিলমোহর দিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে যাঁদের নাম ট্রাইব্যুনাল খারিজ করেছে, অন্নপূর্ণা যোজনা, বিধবা ভাতার মতো সরকারি সামাজিকসুরক্ষা প্রকল্পগুলি থেকে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এমনকী তাঁদের রেশন কার্ডও বাতিল করা হচ্ছে। নবান্ন সূত্রের দাবি, এই ‘সার’–লিস্টের বাইরে যাঁরা সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে (সিএএ) নাগরিকত্ব পাওয়ার আবেদন করেছেন, তাঁরাও সরকারি সুযোগসুবিধা পাবেন। আপাতত এই সংখ্যাটা ২ লক্ষ ৩০ হাজারের মতো। কিন্তু অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন আবেদনের সংখ্যাটা ৩৮ লক্ষ হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই অনেকেই তাঁদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে দুশ্চিন্তায় থাকবেন, সেটা স্পষ্ট।