Ghatal: হঠাৎ বোধোদয়! শীতলা মন্দিরে একে একে নাম ডেকে টাকা ফেরত দেওয়া হল তরুণ, মিতাদের | Village committee returns back money to villagers in ghatal was taken during TMC era - 24 Ghanta Bangla News
Home

Ghatal: হঠাৎ বোধোদয়! শীতলা মন্দিরে একে একে নাম ডেকে টাকা ফেরত দেওয়া হল তরুণ, মিতাদের | Village committee returns back money to villagers in ghatal was taken during TMC era

Spread the love

ঘাটাল: একেই বলে বোধোদয়! গ্রামোন্নয়নের নামে টাকা তুলে পরিবর্তনের ঠেলায় এবার সেই টাকা ফেরত দিলেন গ্রামের মোড়লরা। রাজ্যে পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গেই তোলাবাজির টাকা ফেরত দেওয়ার দাবিতে সরব হন গ্রামবাসীরা। তারপরেই এই বোধোদয়।

কেউ পেল ৮ হাজার, কেউ ১০ হাজার

গ্রামের শীতলা মন্দিরে রয়েছে নাটমন্দির। আর সেই মন্দিরেই নামের তালিকা ধরে একে একে ডাকা হচ্ছে গ্রামবাসীদের। তাদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে টাকা। গ্রাম কমিটির তরফে এক ব্যক্তি তথা তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য অনিল চক্রবর্তী কারও হাতে ৮ হাজার, কারও হাতে ১০ হাজার নগদ তুলে দিচ্ছেন। বুধবার বিকেলে ঘাটাল মেদিনীপুর সড়কের ধারে দাসপুর থানার সুরারানপুর শীতলা মন্দিরের নাট মন্দিরে এই ছবি দেখা গেল। সত্যম্বর চক্রবর্তী, তরুণ মণ্ডল, মিতা জানা সহ গ্রামবাসীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় টাকা।

‘গ্রামের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা’

ওই গ্রামের গ্রাম কমিটির তরফে সভা ডাকা হয় এদিন। সভায় উপস্থিত ছিলেন গ্রামবাসী ও গ্রাম কমিটির অনেকেই। কেন এমনভাবে ফলাও করে লোকজনকে ডেকে টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে? গ্রামবাসীদের তরফে এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করতেই তিনি স্পষ্ট জানালেন, তাঁরা সূরা নারায়নপুর গ্রামের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন।

১৫ বছরের তৃণমূলের শাসনে এই গ্রামে যাঁরা নতুন বাসিন্দা হয়ে এসেছেন, বাড়ি বানিয়েছেন তাঁদের কাছ থেকে জোর করে টাকা নেওয়ার রেওয়াজ ছিল। সেই টাকাই তাঁরা ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগ নিয়েছেন। জানা গিয়েছে, বুধবার প্রায় ৬৮ হাজার টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। টাকা যাঁরা ফিরে পেলেন, তাঁদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

বাড়ি করতে গেলেই দিতে হত টাকা

টাকা ফিরে পেয়ে দীপক দোলই জানালেন এই গ্রামে নতুন বাড়ি তৈরির সময় এই কমিটিকে টাকা না দেওয়ায় প্রথমে বাড়ির পারমিশনই পাচ্ছিলেন না। পরে কমিটিকে ৮ হাজার টাকা দেওয়ায় বাড়ি তৈরি করা সম্ভব হয়। এদিন তিনি ৭ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছেন। তবে পূর্বতন কমিটি এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, গ্রামে নতুন কেউ এলে গ্রামের সম্মানার্থে টাকা দিতে হয়। তেমনই তারাও টাকা নিয়েছিল। তবে এই বিষয়ে গ্রাম কমিটির তরফ ও এলাকার মোড়লরা কেউই কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *