Ram Mandir CEO: রাম মন্দিরের প্রথম CEO হলেন অপারেশন সিঁদুরের নেতৃত্বে থাকা বায়ুসেনার মার্শাল | Ram Mandir CEO: Air Marshal Who Led Operation Sindoor Appointed First CEO of Ram Temple
রাম মন্দিরের সিইও হলেন বায়ুসেনার অবসরপ্রাপ্ত কর্তা। Image Credit: TV9 বাংলা
অযোধ্যা: অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) পেল প্রথম সিইও (CEO)। রাম মন্দিরের অনুদান চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই মন্দিরের পরিচালন ট্রাস্টে বিরাট বদল এসেছে। এবার রাম মন্দিরের জন্য প্রথমবার নিয়োগ করা হল চিফ এগজেকিউটিভ অফিসার। অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল জীতেন্দ্র মিশ্র (Jitendra Mishra)-কে রাম মন্দির ট্রাস্টের সিইও হিসাবে নিয়োগ করা হল। বায়ুসেনার এই শীর্ষকর্তা অপারেশন সিঁদুর অভিযানের ওয়েস্টার্ন কম্যান্ডের প্রধান ছিলেন।
জানা গিয়েছে, ৫ হাজারেরও বেশি আবেদনকারীর মধ্যে থেকে অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল জীতেন্দ্র মিশ্রকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তাঁর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই বাছাই করা হয়েছে। তিনি রাম মন্দিরের ম্যানেজমেন্ট ও মন্দিরের আর্থিক লেনদেনের দায়িত্বে থাকবেন।
কে এই অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল জীতেন্দ্র মিশ্র?
অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল জীতেন্দ্র মিশ্র ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দেন ফাইটার পাইলট হিসাবে। তাঁর পড়াশোনা পুণের ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকা়ডেমি থেকে। বেঙ্গালুরুর এয়ার ফোর্স পাইলট স্কুল থেকে পাশ করেছেন তিনি। এছাড়া আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের কলেজ থেকে তিনি পাশ করেছেন। ৩৮ বছরের দীর্ঘ পরিষেবার পর চলতি বছরের মে মাসেই তিনি অবসর গ্রহণ করেন। তিনি কর্মরত অবস্থায় সর্বোত্তম যুদ্ধ সেবা মেডেল, অতি বিশিষ্ট সেবা মেডেল ও বিশিষ্ট সেবা মডেল অর্জন করেছেন।
কীভাবে বাছাই করা হল?
রাম মন্দিরের সিইও পদের জন্য ৫৫৮৫ জন আবেদন করেছিলেন। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রমোদ কোহলির নেতৃত্বে প্যানেল নিয়োগের দায়িত্বে ছিলেন। ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়। প্রথম ধাপের পরীক্ষার পর ১৬ জন প্রার্থীর ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। এদের মধ্যে থেকেই অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল জীতেন্দ্র মিশ্রকে বেছে নেওয়া হয়। প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব, ম্যানেজমেন্টের দক্ষতা, দূরদর্শিতা সহ একাধিক দিক যাচাই করেই জীতেন্দ্র মিশ্রকে নিয়োগ করা হয়।
নতুন নিয়োগ-
জীতেন্দ্র সিং ছাড়াও আরও তিনজনকে রাম মন্দির ট্রাস্টে নিয়োগ করা হয়েছে। এরা হলেন মদন মোহন পাণ্ডে, মহেশ বাগচন্দকা এবং নির্মলা যাদব।
প্রসঙ্গত, রাম মন্দিরের অনুদান চুরির ঘটনায় আটজনকে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনার পরই রাম মন্দির ট্রাস্টের জেনারেল সেক্রেটারি পদ থেকে ইস্তফা দেন চম্পত রাই।