Primary School App: সন্তান স্কুল থেকে বেরলেই নোটিফিকেশন চলে যাবে বাবা-মায়ের কাছে, অ্যাপেই থাকবে হোমওয়ার্ক | This primary school app will get notification when child will get out from school
নদিয়া: স্কুলে ঢুকলে বা বেরলেই অভিভাবকের মোবাইলে চলে যাবে নোটিফিকেশন। কমবে খুদে পড়ুয়াদের ভারী বই-খাতা বয়ে নিয়ে যাওয়ার চাপ। বর্তমান প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করে তুলতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে নদিয়ার শান্তিপুরের কানাইবঙ্গ স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয় (Primary School)। পাশাপাশি স্কুলের সঙ্গে অভিভাবকদের সম্পর্ক আরও নিবিড় করতে চালু করা হচ্ছে বিশেষ পেরেন্ট অ্যাপ।
আইকার্ড নিয়ে ঢুকলেই অ্যাপে চলে যাবে অবস্থান
আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হল ডিজিটাল স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং পেরেন্ট কমিউনিকেশন সিস্টেম। এই প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে দেওয়া হবে বিশেষ ডিজিটাল স্মার্ট আইকার্ড। ওই আইকার্ড স্ক্যান করে ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে প্রবেশ করলে এবং স্কুল ছুটির পর বেরিয়ে গেলে সেই তথ্য সরাসরি পৌঁছে যাবে অভিভাবকদের মোবাইল ফোনে।
বাড়িতে বসেই অভিভাবকরা জানতে পারবেন তাঁদের সন্তান নিরাপদে স্কুলে পৌঁছেছে কি না, স্কুল ছুটির পর বিদ্যালয় থেকে বেরিয়েছে কি না। ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
হোমওয়ার্ক, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রজেক্ট, রিপোর্ট কার্ডও চলে যাবে এই অ্যাপে
শুধু নিরাপত্তাই নয়, এই ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের হোমওয়ার্ক, অ্যাসাইনমেন্ট, বিভিন্ন প্রজেক্ট, ছোট পরীক্ষার তথ্য থেকে শুরু করে রিপোর্ট কার্ড পর্যন্ত অভিভাবকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি এবং পড়াশোনা সংক্রান্ত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও জানতে পারবেন অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ধীরে ধীরে মোবাইল ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে পঠন-পাঠনের বিভিন্ন বিষয়ও চালু করা হবে। এর ফলে স্কুলব্যাগে অতিরিক্ত বই-খাতা বহনের চাপও ভবিষ্যতে কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে।
এর আগেও ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে নিজেদের উদ্যোগে বিদ্যালয় চত্বরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়েছিল কানাইবঙ্গ স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এবার প্রযুক্তিকে আরও কার্যকরভাবে শিক্ষাব্যবস্থা ও বিদ্যালয় পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রতিম সেন বলেন, “আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের সার্বিক মানোন্নয়নের চেষ্টা করি। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তাই ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে প্রযুক্তিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা এবং তারা যাতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।”
প্রধান শিক্ষকের কথায়, “বিদ্যালয়ের সঙ্গে অভিভাবকদের আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।”