বেঙ্গালুরুতে গ্রেফতার হওয়া ৩১ অবৈধ বাংলাদেশিকে BSF র হাতে তুলে দিল কর্ণাটক পুলিশ
কলকাতা: বেঙ্গালুরু পুলিশ আজ সকালে ৩১ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে (31 Bangladeshi)এসেছে। এঁরা কয়েকদিন আগে বেঙ্গালুরুতে গ্রেফতার হয়েছিলেন এবং এখন বিএসএফ-এর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া…
কলকাতা: বেঙ্গালুরু পুলিশ আজ সকালে ৩১ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে (31 Bangladeshi)এসেছে। এঁরা কয়েকদিন আগে বেঙ্গালুরুতে গ্রেফতার হয়েছিলেন এবং এখন বিএসএফ-এর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে শহরে বসবাস করার অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়।কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে ‘অপারেশন মুক্তা’ নামে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ।
এই অভিযানে ইলেকট্রনিক সিটিসহ বিভিন্ন থানার এলাকায় নথি যাচাই করা হয়। প্রায় তিন হাজার মানুষের কাগজপত্র পরীক্ষা করে একশোরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে শনাক্ত করা হয়। তার মধ্যে ৩১ জনকে চূড়ান্তভাবে আটক করা হয়। তাঁরা বছরের পর বছর বেঙ্গালুরুতে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন এবং বিভিন্ন কাজে নিযুক্ত ছিলেন।
আরও দেখুনঃ মোটরবোটে ত্রুটি! ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় যমুনার স্রোতে ভেসে গেলেন স্পেশাল ফোর্সের ২ সেনা
সোমবার রাতে এই ৩১ জনকে স্যার এম বিশ্বেশ্বরায় টার্মিনাল (31 Bangladeshi)থেকে বিশেষ কোচে তুলে মালদহের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। বিশ জন পুলিশ কর্মী তাঁদের সঙ্গে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে বা বুধবার ভোরে ট্রেন মালদহ স্টেশনে পৌঁছায়। স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন তাঁদের গ্রহণ করে কর্মতীর্থ হোল্ডিং সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখানে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাঁদের বিএসএফ-এর কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপর বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
ইলেকট্রনিক সিটি ডিভিশনের ডিসিপি এম নারায়ণ জানিয়েছেন, (31 Bangladeshi)এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ কমিশনারও নাগরিকদের আহ্বান জানিয়েছেন সন্দেহজনক তথ্য জানাতে।এই ঘটনা দেশজুড়ে অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টার অংশ। সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে বিএসএফ কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে।
মালদহে হোল্ডিং সেন্টার স্থাপন করে সন্দেহভাজনদের যাচাই ও ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কর্নাটক থেকে এভাবে মালদহে পাঠানো হয় যাতে সরাসরি সীমান্ত দিয়ে ফেরত দেওয়া সহজ হয়।অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ ও বসবাস আইনের পরিপন্থী। এতে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও সামাজিক ভারসাম্যে প্রভাব পড়ে। পুলিশের এই পদক্ষেপ আইন মেনে চলার বার্তা দিচ্ছে। যারা বৈধ কাগজপত্র ছাড়া দেশে আছেন, তাঁদের শনাক্ত করে দেশে ফেরত পাঠানো জরুরি।