ফুঁসছে ভোতে কোশী, নেপালে ফের জারি বন্যা সতর্কতা! মৃত্যুমিছিল ৯০০ পার
কাঠমান্ডু: হিমবাহ ধসে সৃষ্ট হড়পা বানে কার্যত মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে নেপাল। গত ২৬ অগস্টের প্রলয়ঙ্করী বন্যার ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই রবিবার ভোতে কোশী নদীর জলস্তর…
কাঠমান্ডু: হিমবাহ ধসে সৃষ্ট হড়পা বানে কার্যত মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে নেপাল। গত ২৬ অগস্টের প্রলয়ঙ্করী বন্যার ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই রবিবার ভোতে কোশী নদীর জলস্তর নতুন করে বাড়তে থাকায় বন্যা বিধ্বস্ত জেলাগুলিতে ফের লাল সতর্কতা জারি করল প্রশাসন। এখনও পর্যন্ত নেপাল ও সংলগ্ন তিব্বত মিলিয়ে অন্তত ৮০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। নিখোঁজের সংখ্যা তিন হাজার ছুঁইছুঁই।
নেপালের বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু নেপালেই মৃত্যু হয়েছে ৭৮৮ জনের, নিখোঁজ রয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ। অন্যদিকে, চিনের দিকে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ। চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে ২৬১ জন বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। ধাদিং এবং গালছির মতো এলাকাগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সবই কার্যত কাদামাটির তলায়।
তীব্র আতঙ্ক ও চরম দুর্ভোগ
রবিবার সকাল থেকে বারবার ফোনে সতর্কবার্তা আসায় চূড়ান্ত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয়রা। প্রাণ বাঁচাতে বয়স্ক পরিজনদের নিয়ে বারবার উঁচু জায়গায় ছুটতে হচ্ছে তাঁদের। প্রশাসন সূত্রে খবর, হিমালয়ের উঁচুতে হিমবাহ ধসে পড়ার কারণেই এই ভয়াবহ হড়পা বান। পাথর ধসের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ৫.২ মাত্রার ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়।
নেপালের তোপ
নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল এই বিপর্যয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে হওয়া জলবায়ু পরিবর্তনকেই দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাপী কার্বন নির্গমনে নেপালের অবদান মাত্র ০.১ শতাংশ হলেও, এই জলবায়ু পরিবর্তনের চরম মূল্য আমাদের দেশের সাধারণ মানুষকেই চোকাতে হচ্ছে।”
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,