Organ Smuggling Case: সঙ্গে থাকে রেট চার্ট! বাংলায় কিডনি পাচার চক্রে মিলল আন্তর্জাতিক যোগ, কে এই রাসেল? | One Bangladeshi National Who was living in India with Fake Documents Arrested in Kidney Smuggling Case
ধৃত রাসেলকে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।Image Credit: TV9 বাংলা
কলকাতা: রাজ্যে কিডনি পাচার চক্রের খোঁজ। তদন্তে নামতেই পুলিশের হাতে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাংলার কিডনি পাচার চক্রে মিলল বাংলাদেশ যোগ। গ্রেফতার এক পুরনো চাঁই, যে আগেও ধরা পড়েছিল কিডনি পাচার চক্রে।
জানা গিয়েছে, বাগুইআটির আটঘড়া ফুলতলা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাংলাদেশি নাগরিক রাসেল আহমেদকে। গতকাল রাতে বেঙ্গল এসটিএফ গ্রেফতার করেছে তাঁকে। এরপরে বিধাননগর দক্ষিণ থানার হাতে তাঁকে তুলে দেওয়া হয়।
আগেও ধরা পড়েছিল রাসেল-
এর আগে ২০২৪ সালেও কিডনি পাচার চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল রাসেলকে। দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করেছিল তাঁকে। সেই সময়ই জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশি নাগরিক রাসেল ভারতে ঢুকে অবৈধভাবে আধার কার্ড, প্য়ান কার্ড তৈরি করে নিয়েছিল। অবৈধভাবেই এ রাজ্যে বাড়ি ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিল। বিস্তার করছিল কিডনি পাচার চক্রের জাল। তাঁর সঙ্গে আরও অনেক বাংলাদেশিকে যুক্ত করেছিল বলেই খবর সূত্রের।
কয়েকদিন আগে কিডনি পাচার চক্রে জড়িত প্রভাস মণ্ডলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই প্রভাসকে জেরা করেই উঠে আসে রাসেলের নাম। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত জুড়ে এই কিডনি পাচার চক্র বিস্তৃত।
কীভাবে টার্গেট বাছাই করা হত?
গত ১৮ অগস্ট এক ভুক্তভোগীর বাবা প্রথম অভিযোগ আনেন। বিধাননগর পুলিশ সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পাচার চক্রের মিডলম্যান প্রভাসকে গ্রেফতার করে। তাঁকে জেরা করেই রাসেলের নাম উঠে আসে। জানা গিয়েছে, আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারদের টার্গেট করত এই কিডনি পাচার চক্রের মাথা-রা। মোটা টাকার চাকরির লোভ দেখিয়ে ভিন রাজ্যে নিয়ে গিয়ে কিডনি কেটে নেওয়া হত।
পুলিশি তদন্তে ধৃত রাসেলের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে রেট চার্ট। বিভিন্ন রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতালের কাগজও পাওয়া গিয়েছে, যেখানে কোন হাসপাতালে কতগুলি কিডনির প্রয়োজন রয়েছে, তার উল্লেখ রয়েছে। রাসেলকে বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দক্ষিণ বিধাননগর থানার পুলিশ। আজই তাঁকে বিধাননগর আদালতে পেশ করা হবে।