Everest Hing Banned: গুনমানের পরীক্ষায় ডাহা 'ফেল', নিষিদ্ধ হয়ে গেল এভারেস্টের হিং | FSSAI temporarily banned Sale of Hing after samples fail quality tests - 24 Ghanta Bangla News
Home

Everest Hing Banned: গুনমানের পরীক্ষায় ডাহা ‘ফেল’, নিষিদ্ধ হয়ে গেল এভারেস্টের হিং | FSSAI temporarily banned Sale of Hing after samples fail quality tests

Spread the love

এভারেস্টের হিং নিষিদ্ধImage Credit: Tv9 Telegu

নয়া দিল্লি: গুণমানের পরীক্ষায় ডাহা ‘ফেল’ জনপ্রিয় মশলা প্রস্তুতকারী সংস্থা এভারেস্ট (Everest)। এবার সংস্থার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (FSSAI)। সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হল এভারেস্টের হিং (Everest Hing Banned)। এক গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন পণ্যের উপর নজরদারি শুরু করেছিল এফএসএসআই। তারপরই সংস্থার বিভিন্ন মশলার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। FSSAI সূত্রে খবর, গুণগত মানের পরীক্ষায় নিম্নমানের হিং পাওয়ার পরই তা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন নিষিদ্ধ করা হল হিং?

এভারেস্ট ফুড প্রোডাক্টস (Everest Food Products)-এর পাশাপাশি লালজি গোধু-র (Laljee Godhoo) তৈরি হিং বিক্রিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।  FSSAI জানিয়েছেন, এক গ্রাহকের অভিযোগ পাওয়ার পর মুম্বইয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির উৎপাদন কেন্দ্র এবং গুজরাটের উমরগাঁওয়ে এভারেস্টের কারখানা থেকে হিংয়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তারপর তা পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু, পরীক্ষায় সবুজ সংকেত পায়নি মশলা প্রস্তুতকারী সংস্থা।

নিয়ম অনুযায়ী, ‘কম্পাউন্ডেড হিং’-এ অন্তত ৫ শতাংশ অ্যালকোহল-সলিউবল এক্সট্র্যাক্ট থাকা বাধ্যতামূলক। সাধারণত দৈনন্দিন রান্নায় ব্যবহারের সুবিধার জন্য কাঁচা (Raw) হিংয়ের সঙ্গে ভোজ্য স্টার্চ বা ময়দা মিশিয়ে কম্পাউন্ডেড হিং তৈরি করা হয়। কিন্তু পরীক্ষায় নমুনাগুলিতে অ্যালকোহল-সলিউবল এক্সট্র্যাক্টের পরিমাণ মাত্র ০ থেকে ৩ শতাংশ পাওয়া গিয়েছে। FSSAI-এর দাবি, এর থেকে ইঙ্গিত মিলেছে যে নির্ধারিত মাত্রার তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম কাঁচা হিং ব্যবহার করা হচ্ছিল।

এদিকে, লালজি গোধু-র উৎপাদন কেন্দ্র থেকে ছ’ধরনের কাঁচা হিংয়ের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরীক্ষায় দেখা যায়, সেগুলিতে ১৫ থেকে ৩২ শতাংশ পর্যন্ত স্টার্চ রয়েছে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী হিংয়ে সর্বোচ্চ ১ শতাংশ স্টার্চ থাকার অনুমতি রয়েছে। এরপরই দুই সংস্থার সংশ্লিষ্ট হিং বিক্রির উপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কেন নিয়ম লঙ্ঘন করে হিং বিক্রি করা হচ্ছিল, সেই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে দুই সংস্থাকে। একইসঙ্গে নিয়ম মেনে চলার জন্য কী কী পদক্ষেপ করা হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে FSSAI। একইসঙ্গে বাজারে থাকা নিম্নমানের হিং তুলে নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছে FSSAI। যতক্ষণ না নিয়ম মেনে পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত হিং বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

এভারেস্টের আরও তিন মশলায় গরমিল

শুধু হিং নয়, এভারেস্টের আরও তিনটি মশলার ক্ষেত্রেও নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে  FSSAI। সংস্থার এগ কারি মশলা, চিকেন মশলা, গরম মশলার উপর নজর রয়েছে FSSAI-এর। তবে, এই তিনটি পণ্যের বিক্রির উপর কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি বলে খবর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *