খন্দপথে ভোগান্তি ঘুচবে আর কবে? কী বলছে প্রশাসন?
উত্তর থেকে দক্ষিণ, শহরে রাস্তার দুর্দশায় জেরবার আমজনতা। রাস্তার খানাখন্দ কেড়ে নিচ্ছে গাড়ি–চালকদের স্বস্তি ও নিরাপত্তা। খারাপ রাস্তার জেরে যেমন যানজট বাড়ছে, তেমনই ঘটছে দুর্ঘটনাও। কবে মিটবে সমস্যা? কেন এই পরিস্থিতি? কী বলছে প্রশাসন? তুলে ধরল এই সময়
বর্তমানে রাস্তার অবস্থা এবং যা সমস্যা
-
শহরের ৪৫% রাস্তা বর্ষা ও অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়িতে ক্ষতিগ্রস্ত ও চলাচলের অনুপযুক্ত
-
মূলত পিচ উঠে যাওয়া, গভীর গর্তে হতশ্রী ৮৭টির বেশি রাস্তা
-
সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো জলমগ্ন হয়ে মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে
-
খানাখন্দের কারণে গাড়ি ধীরগতিতে চলছে, হচ্ছে যানজট
-
ঘটছে দুর্ঘটনা
যে–সব রাস্তার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ
দমদম রোড, বিধান সরণি, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট, কাশীপুর রোড, ক্যানাল ইস্ট এবং ওয়েস্ট রোড, ইএম বাইপাস, ডায়মন্ড হারবার রোড, বীরেন রায় রোড (পশ্চিম), মতিলাল গুপ্ত রোড, মহাত্মা গান্ধী রোড, তারাতলা রোড, রাজা সুবোধচন্দ্র মল্লিক রোড
কেন হচ্ছে না রাস্তা মেরামত?
পুরসভার সড়ক বিভাগ সূত্রে খবর, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরে পুরবোর্ড ভেঙে যায়। ফলে মাঝে বেশ কয়েক মাস অচলাবস্থা ছিল। তা ছাড়া বহু বার দরবারেও পূর্বতন সরকার রাস্তা মেরামতে অর্থ বরাদ্দ করেনি। ঠিকাদাররাও বকেয়া টাকা না পাওয়ায় কাজ করতে চাইছেন না। বর্তমানে কাজ শুরু হলেও টানা বৃষ্টির কারণে সমস্যা হচ্ছে
নগরবাসীর দাবি
-
সঠিক মানের সামগ্রী ব্যবহার করে রাস্তা মেরামত হোক
-
প্যাচওয়ার্কের বদলে রাস্তা খুঁড়ে স্থায়ী ভাবে মেরামত প্রয়োজন
-
নির্দিষ্ট সময়ের আগে রাস্তা বেহাল হলে ঠিকাদার সংস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ জরুরি
পুরসভার টার্গেট
-
১০ অক্টোবরের মধ্যে রাস্তা সংস্কার
-
প্যাচওয়ার্ক নয়, পিচ খুঁড়েই হবে সংস্কারকাজ। পিচের উপরে পিচ ঢালা হবে না
-
রাস্তা সংস্কারে ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে পুরসভা সূত্রে খবর